প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইন্টারপোল বা ব্রিটিশ সরকারের কি দায় পড়েছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার!

শাহরিয়ার কবির : যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মঈনুদ্দীন ইন্টারপোলের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এটি ব্রিটিশ পত্রিকাগুলো রিপোর্ট করেছে। যদিও ইন্টারপোল তাকে ধরার কোনো চেষ্টাই করছে না। সে প্রকাশ্যে ঘুরছে মানে, তাকে ইন্টারপোল বা ব্রিটিশ সরকার কোনো ধরনের সহয়াতা করছে। হয়তো সেখানে পাকিস্তান, সৌদি, বাংলাদেশের জামায়াতের লবিং কাজ করছে। কারণ আমরা জানি, লন্ডনে জামাতে একটি শক্ত অবস্থান আছে। এখন আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, চোধুরী মাঈনুদ্দীনকে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিকভাবে যে উদ্যোগ প্রয়োজন সেটি দৃশ্যমান নয়। আমাদের যারা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য লন্ডনে আছে, তারা সেখানে আন্দোলন, মানববন্ধ করছেন, যেন মাঈনুদ্দীনকে গ্রেফতার করে বিচার করা হয়। পত্রিকায় রিপোর্টের মধ্যেও নির্মূল কমিটির ভূমিকা আছে। এখন জনমত তৈরির কাজটি আমরা ঠিকই করছি। কিন্তু সরকারকে তো বলতে হবে, এই চৌধুরী মাঈনুদ্দীন শুধু একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী নয়।

সে এখনও বসে বসে ব্রিটিশ মুসলিমদের জঙ্গি কার্যকলাপে লিপ্ত করছে। সে বিভিন্ন মৌলবাধী, সন্ত্রাসী কর্মকা-ের সাথে যুক্ত। এই তথ্যগুলো ইন্টারপোলকে ও ব্রিটিশ সরকারকে জানাতে হবে। এই তথ্যগুলো আমাদের দূতাবাসে আছে কিনা আমি জানি না। সরকারও এ ব্যাপারে কোনো মাথা ঘামাচ্ছে না। আর সেটি কেন আমি নিজেও জানি না। জামায়াতে ইসলামির বিচার এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। সরকার তাদের বিচার করলে, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিশ্বের কাছে আমরা প্রচার করতে পারতাম। এখন সরকার জামায়াতের বিচার করবে না। পরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ও রাষ্ট্রদূতরাও এটি বাহিরে দেশে প্রচার করছে না। আমরা যেহেতু বিচার করতে পারছি না। সেখানে ইন্টারপোল বা ব্রিটিশ সরকারের কি দায় পরেছে যে , তারা আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে।

সরকার আমাদের কোনো সহযোগীতা করছে না। আমাদের কোনো পরামর্শও সরকার শুনছে না। আমরা বার বার বলেছি, যুদ্ধাপরাধীদের ফেরত আনতে হলে, জামায়াতের বিচার করতে হবে আগে। ব্রিটিশ সরকারকে আমাদের বলতে হবে, এই লোকগুলো তোমাদের দেশের মুসলিম তরুণদের জঙ্গী কার্যকলাপে যুক্ত করছে। ইউরোপ থেকে যে ৫ হাজার জিহাদকারী সিরিয়াতে গেল, তাদের উৎসাহ দিয়েছে কে? চৌধুরী মঈনুদ্দীনরাই এসব কাজগুলো করছে। তাই আমাদের সরকারকে একটি শক্ত অবস্থান নিয়ে বলতে হবে, যুদ্ধাপরাধীদের হয় আমাদের দেশে ফিরত পাঠাবে না হলে তোমাদের দেশে তোমাদের আইনে বিচার করতে হবে। আর তা না পারলে, সারা পৃথিবীর গণহত্যাকারীরা লন্ডনে এসে আশ্রয় নিবে। এগুলো তাদের বলতে হবে। বুঝাতে হবে। তাহলে আমরা একটি রেজাল্ট পেতে পারি। না হেল সম্ভব নয়।

পরিচিতি : সভাপতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : খন্দকার আলমগীর হোসাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত