প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আবর্জনা সমস্যায় ‘জরুরি অবস্থা’ জারি বালিতে

প্রিয়াংকা পান্ডে: নারকেল আর পাম গাছে ঘেরা বালির জনপ্রিয় ‘কুটা’ সৈকত আর আগের মতো নেই। প্যাকেট, পলিথিন জড়ো হয়ে আবর্জনার স্তুপ কেড়ে নিচ্ছে সমুদ্রতীরের সৌন্দর্য। সম্প্রতি এ বিষয়টিকে লক্ষ্য করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে বালি কর্তৃপক্ষ।

বালিতে বেড়াতে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার এক পর্যটক। তিনি বলেন, আমি যতবার সাঁতার কাটতে গিয়েছি ততবারই অনেক আবর্জনা দেখেছি। এগুলো সৈকতে মানুষের ফেলা আবর্জনা যা সমুদ্রে ভেসে আবার তীরেই ফিরে আসছে। বিষয়টা খুবই ভয়ঙ্কর।’

বহুবছর ধরেই সামুদ্রিক বর্জ্যরে কারণে ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক প্রানী ও উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সামুদ্রিক ধ্বংসাবশেষের দিক থেকে চীন ও ইন্দোনেশিয়া এগিয়ে। বছরে ১.২৯ মিলিয়ন মেট্রিকটন আবর্জনা ভেসে আসে এ অঞ্চলগুলো থেকে।

সামুদ্রিক বর্জ্যরে জন্য বালির পরিস্থিতি এখন এতটাই খারাপ যে গত মাসে বালির ৬কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ‘গার্বেজ (আবর্জনা) ইমারজেন্সি’ জারি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করা এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে বালির জনপ্রিয় ৩টি সৈকত জিমবারান, কুটা ও সেমিনইয়াক। ওই এলাকাগুলোতে প্রশাসন থেকে ৭শ পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৩৫টি ট্রাক দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ১শ টন আবর্জনা পরিষ্কার করছে তারা। এবিসি-সিবিএন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত