প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দিন দিন বাড়ছে ধনী-গরিবের বৈষম্য

ফারমিনা তাসলিম: যথাযথ কর্মসংস্থানের অভাবে বাড়ছে ধনী-গরিবের বৈষম্য। চলতি বছরে মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির অর্জন এতে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলেছেন, বৈষম্য কমাতে উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে।
রাজধানীর বনানী লেকের এক পাশে সমৃদ্ধির ছাপ যতটাই স্পষ্ট অপর পাশে ততটাই প্রকট দারিদ্র্য। গুলশান-বনানীর বিত্তের মাঝে কড়াইল বস্তি বলে দিচ্ছে কতটা অসম গতিতে এগিয়ে চলছে দেশ।

কড়াইল বস্তিবাসী বলেন, ঘর ভাড়া, দোকান ভাড়া এগুলো চালাতে অনেক টাকা লাগে। অনেক সময় সবার সামনে সংকটে পড়তে হয়। চালের দাম একটু কম হতো বা জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে এভাবে সংসার চালানো আসলে সমস্যা।

বিশ্লেষকেরা বলেছেন, অর্থনীতির অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত বিস্তৃত হলেও আয় পর্যাপ্ত নয়। আবার অনেকের অভিযোগ চাকরিতেও যথাযথ মজুরি পাওয়া যায় না । শিক্ষা-স্বাস্থ্যে অপ্রতুল বরাদ্দ, আর দুর্বল করনীতি বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। ফলে বছর শেষে ১৬শ ১০ ডলারের মাথাপিছু আয় বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, এ দেশে গরিব মানুষ, কৃষাণ-কৃষাণি, শ্রমজীবীর জাতির পিতার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠজন ছিল বলে তিনি বলতেন। তাদের স্বার্থে আমাদের গ্রোথ মডেলটাকে পরিবর্তন করে ইন্ড্রাসট্রিলাইজেশন, ইমপাওয়ারমেন্ট জেনারেশন, ইক্যুইটি ইনস্যুইরি এন্ড ডিসপুলেটি রিমুভার করতে পারে।

চলতি বছর পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বড় প্রকল্পে বেড়েছে সরকারের বিনিয়োগ। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগের ধারাও ইতিবাচক। এছাড়া সেবা খাতের বিস্তৃতি ও কৃষির ওপর ভর করে অর্জিত হয়েছে ৭ দশমিক দুই আট ভাগ প্রবৃদ্ধি।

অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, কুমিল্লা-লাকসামের শেষ সেকশনটা জয়েন করে ডাবল ট্র্যাক হবে। তাহলে আমাদের ঢাকা-চট্টগ্রামের সোনালী রাস্তা পুরোপুরি হয়ে গেলে ইকোনমিক জোনের প্রবৃদ্ধিতে অনেক সহায়তা পাবে। তবে শঙ্কা আছে নতুন বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়ে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলে ধীর হতে পারে বেসরকারি বিনিয়োগ ধারা।
সূত্র – ইনডিপেনডেন্ট টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত