প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে যেতে হবে

অধ্যাপক আবু আহমেদ : রোহিঙ্গাদের বিষয়টি মানবিক দিক থেকে নেওয়া হয়েছে। তবে এটা ঠিক যে, রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য অর্থনীতির সাথে পরিবেশগত সমস্যার সৃষ্টি করবে। বাংলাদশে যদি তারা দীর্ঘ সময় থাকে, তাহলে তারা দেশের জনগণের সাথে মিশে যাবে। বিভিন্ন জায়গায় কাজের খোঁজে বের হবে। তারা বাংলাদেশি হয়ে যাবে। আবার যদি তারা বিদেশিদের সাথে সম্পর্ক করতে পারে, তাহলে অধিকার আদায়ের জন্য হয়তো এক সময় আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। এটি ভারত ও আমেরিকাও বলছে। এমন ঘটনা আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আগেও দেখেছি। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কূটনৈতিকভাবে কাজ করে, তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে পুনর্বাসন করতে হবে।

আর যদি মিয়ানমার তাদের নিতে না চায়, তাহলে বাংলাদেশকে একটি শক্ত অবস্থানে যেতে হবে। বাংলাদেশ নিজেরা নরম হলে হবে না। বাংলাদেশ নরম হলে রোহিঙ্গারা চেপে বসবে। তারা ফিরে যেতে তাল বাহানা করবে। মিয়ানমার সমঝোতা সাক্ষর করেছে। কিন্তু এটির কোনো কার্যকারীতা আমরা দেখছি না। প্রশ্ন হলো সমঝোতা অনুসারে, তাদের ফিরিয়ে নিতে কত বছর লাগবে? বাংলাদেশও যখন মিয়ানমারের সাথে সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করেছে, তারা কি দেখে এসেছে, রোহিঙ্গারা সে দেশে গিয়ে থাকার ব্যবস্থা আছে কি না? বাংলাদেশ তো এতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। তারা সমঝোতা করতে গিয়ে নিজেদের দূর্বল করেছে। তাই রোহিঙ্গাদের উচিত নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য মিয়ানমার সরকারের সাথে ফাইট করা। আমাদের সরকারে উচিত আন্তর্জাতিকভাবে আপিল রাখা, যেন রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা সহযোগিতা করে। আবার কোমর সোজা করে দাঁড়িয়ে শক্ত অবস্থান নিতে হবে। তাহলে আন্তর্জাতিকভাবে সহায়তা পাবে। না হলে তারা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে দিন দিন আরও বেশি প্রভাব ফেলবে।

পরিচিতি : অর্থনীতিবিদ
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত