প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টেস্ট-ওয়ানডেতে বছরের সর্বনিম্ন ইনিংস জিম্বাবুয়ের

স্পোর্টস ডেস্ক: চার দিনের টেস্ট সর্বশেষ মাঠে গড়িয়েছিল ১৯৭৩ সালে অকল্যান্ডে। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এ সংস্করণে চার দিনের ম্যাচ আবারও ফেরানো হবে কি না, তার একটা ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ চলছে পোর্ট এলিজাবেথে। যেখানে চার দিনের দিবা-রাত্রির টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবুয়ে। তবে জিম্বাবুয়ের জন্য এ ম্যাচটা শুধু মুখোমুখি হওয়া পর্যন্তই। টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে সর্বনিম্ন দলটি লড়াই করা দূরে থাক, গড়েছে বছরের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।

দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় দল। লড়াইটা যে তাই একপেশে হতে যাচ্ছে, সে কথা সবাই জানত। তাই বলে এতটা একপেশে! প্রথম দিনে ৭৮.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৩০৯ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দল। জবাবে ৪ উইকেটে ৩০ রান নিয়ে আগের দিন শেষ করে জিম্বাবুয়ে কি জানত, দ্বিতীয় দিনে তাদের জন্য মড়ক অপেক্ষা করছে!

গ্রায়েম ক্রেমারের দল দ্বিতীয় দিনে বাকি ৬ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৩৮ রানে। সব মিলিয়ে ৬৮ রানে গুটিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংস। টেস্টে এ বছর এটাই সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংস। এ বছর ওয়ানডেতেও সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংসটা জিম্বাবুয়ের। গত ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে তাঁরা অলআউট হয়েছিল মাত্র ৫৪ রানে। মান-মর্যাদায় ক্রিকেটের সেরা দুই ফরম্যাটে এ দুই জোড়া লজ্জাই বলে দেয় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট কোন পথে যাচ্ছে!

টেস্টে আপাতত সেই পথটা গিয়ে ঠেকেছে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসে পঞ্চম সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংসে। জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করছেন মূলত মরনে মরকেল। প্রোটিয়া এ পেসার টেস্টে সপ্তমবারের মতো এক ইনিংসে ৫ উইকেটের মুখ দেখলেন, যেটা কিনা গত পাঁচ বছরের মধ্যে এই প্রথম।

জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে ফেলেও প্রোটিয়ারা কিন্তু তিল পরিমাণ ছাড় দেয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে আবারও ব্যাটিংয়ে পাঠান ডি ভিলিয়ার্স। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁদের স্কোর ১ উইকেটে ৭৫। হাতে ৯ উইকেট রেখে দলটি তখনো ১৬৬ রানে পিছিয়ে। ¯্রােতের বিপরীতে জিম্বাবুয়ের কেউ রুখে না দাঁড়ালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সম্ভবত দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নামতে হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত