প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩ দিনেও সন্ধান নেই খুলনার যুবলীগ নেতা সবুজের

ডেস্ক রিপোর্ট: মারধর করে মোড়েলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ফেলে দেওয়া খুলনার যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান সবুজের সন্ধান পাওয়া যায়নি তিন দিন পরও। সোমবার সারাদিনই নদীতে উদ্ধার অভিযান চালায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়রা। কিন্তু দিন শেষে তাদের ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।

এদিকে সবুজের ওপর হামলায় জড়িত সাত জনকে পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে তাদের খুলনায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দু’জনকে অপহরণ, মারধর এবং নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মারধরের শিকার রনি’র মামা আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন বাদি হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। রিমান্ড শুনানির তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ট্রলারে করে মোড়েলগঞ্জের সন্ন্যাসী এলাকায় যাওয়ার সময় কামরুজ্জামান সবুজ ও তার বন্ধু খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) এর সার্ভেয়ার সামছুল আরেফিন রনিকে মারধর করে নদীতে ফেলে দেয় অপহরণকারীরা। ওই সময় রনির চিৎকারে মোড়েলগঞ্জের গাবতলা এলাকার ট্রলার চালকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু নদীতে ডুবে যায় সবুজ।

উদ্ধারের পর রনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে সোমবার পর্যন্ত সন্ধান মেলেনি সবুজের। সবুজ খুলনা মহানগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক। তাদের দু’জনেরই বাড়ি খুলনার শেখপাড়া এলাকায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার এস আই জেল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওহিদুজ্জামান হাসান ওরফে পরশ, হাফিজুল ইসলাম, মোঃ মাহামুদ, মো. হাসিব হাওলাদার, হাছিব হাওলাদার, মো. হাফিজুর রহমান ও সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। রিমান্ডে নিলে ঘটনার মূল কারণ উদঘাটন করা যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত