প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাতারবাড়ি ও পায়রায় বিদ্যুৎ সরবরাহে দুটি হাব নির্মাণ

ফারমিনা তাসলিম: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পটুয়াখালির পায়রা বন্দরের কাছে আর কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে আলাদা দুটি বিদ্যুৎ হাব নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পায়রা হাবে ৯টি কেন্দ্রের প্রথমটির নির্মাণকাজের ৩০ শতাংশ শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। যা থেকে এক বছর পর বিদ্যুৎ আসবে। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস এবং কয়লায় চলবে।

দেশের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ হাব পটুয়াখালির পায়রায় তৈরি হচ্ছে। একসঙ্গে ৯টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শিল্পোৎপাদনও তরান্বিত করা হবে। ইতোমধ্যে ১ হাজার একর জমির ওপর পুরোদমে এগিয়ে চলেছে অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ।

মহেশখালির মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ হাব ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের আগেই পায়রা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা বিদ্যুৎ বিভাগের। চীনের আর্থিক সহায়তার এ প্রকল্পে পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবহার করা হচ্ছে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি। আর ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় হবে সাড়ে ৬ টাকা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মোট ইনভেস্টমেন্ট হবে ১২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৪ টি পদ্মা সেতুর যে মূল্য সে পরিমাণ টাকা এখানে ব্যয় করা হচ্ছে। ৯ টি বৃহৎ পাওয়ার প্ল্যান্টে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় এ হাবে এখন কাজ শুরু হয়ে গেছে।

পুরোদমে উৎপাদনে আসলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য প্রতিদিন প্রয়োজন হবে সাড়ে ১২ হাজার টন কয়লা যা আমদানি করা হবে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। পর্যাপ্ত নাব্যতা না থাকায় গভীর সমুদ্র থেকে রামনাবাদ চ্যানেল দিয়ে বড় জাহাজের পরিবর্তে কয়লা পরিবহন হবে ছোট ছোট জাহাজে করে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরো বলেন, পুরোপুরি অগ্রগতি কিন্তু দেখা যাবে হয়তো এ বছরের শেষ নাগাদ একটা চিন্তা করতে হবে যেটিতে আমরা ব্যবহার করছি। এটাকে আরো বড় করে তৈরি করে হয়ে আসবে। হয়তো এ বছরের শেষ নাগাদ আমরা দৃশ্যমান দেখতে পারবো।

বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি স্থানীয়দের পুনর্বাসনের কাজও পুরোদমে চলছে বলে জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।

মাতারবাড়ির এ ধরনের হাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে সাড়ে দশ হাজার মেগাওয়াট। পায়রা এবং এর আশেপাশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে ৫ বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হবে আরো ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যার মধ্যে এ কেন্দ্রটি থেকে আসবে ৬ হাজার ৪’শ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে, এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হলে স্বল্পমূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

সূত্র – ইনডিপেনডেন্ট টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত