প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্কুল ব্যাংকিং সেবা ব্যাংকগুলোর জন্য বাড়তি বোঝা: ফরাস উদ্দিন

হ্যাপী আক্তার: স্কুল ব্যাংকিং সেবা ব্যাংকগুলোর জন্য বাড়তি বোঝা বলে মনে করছেন সাবেক গর্ভনর ফরাস উদ্দিন আহমদ। এরজ ন্য বিকল্প সংস্থা গড়ে স্কুল ব্যাংকিং সেবা দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আগের মতো উৎস না থাকায় গতি হারাচ্ছে স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, স্কুল ব্যাংকিং হিসেবের আওতায় চলে এসেছে। তাই সময়ের সাথে সাথেও কমে এসেছে এর প্রবৃদ্ধি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, লাভজনক না হলেও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কার্যক্রমটি চালিয়ে যাওয়া উচিত।

আর্থিক অন্তর্ভূক্ত কার্যক্রমের অন্যতম অনুসংঘ স্কুল ব্যাংকিং। ২০১০ সালে শিশু কিশোরদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা গড়ে তুলতেই স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করেছিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই ব্যাংকগুলোকে উদ্বুদ্ধ করতে সরাসরি অংশ নেন তৎকালিন সাবেক গভর্নর ড. আতিয়ার রহমান। ফলশ্রুতিতে আশানুরুপভাবে বাড়তে থাকে স্কুল ব্যাংকিংয়ের হিসাব ও শিশু কিশোরদের সঞ্চয়ের হিসাবও।

তবে সাম্প্রদিক সময়ে স্কুল ব্যাংকিংয়ে লেগেছে ভাটার টান। পরিসংখ্যান বলছে, যেখানে স্কুল ব্যাংকিংয়ে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে স্কুল ব্যাংকিংয়ের প্রবৃদ্ধি ছিলো ২৫.১১ ভাগ সেখানে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০.১৫ ভাগে। আর সঞ্চয় প্রবৃদ্ধি যেখানে ছিলো ২৮.৪৪ ভাগ তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৭.৯৫ ভাগে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভংকর সাহা বলেন, এবছর আমাদের শতভাগ প্রবৃদ্ধির বছর বলা হচ্ছে। তবে স্কুল ব্যাংকিংয়ে সঞ্চয়ের হিসেব বৃদ্ধি পাবে তবে মূল্য সেভাবে পাওয়া যানে না। তবে প্রবৃদ্ধির ধারাটি ইতিবাচক আছে। এক বছর আগে যেখানে ১০ লাখ একাউন্ট ছিলো সেখানে বর্তমানে ১৪ লাখ একাউন্ট হয়েছে বলে জানান তিনি।

এবিবির সাবেক সভাপতি মোঃ নূরুর আমিন বলেছেন, স্কুল ব্যাংকিংকে কোনোভাবেই লোকসান কার্যক্রম হিসেব বলে মনে করা যাবে না। সব ক্ষেত্রেই মুনাফা হবে এমনটি আশা করা ঠিক হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন স্কুল ব্যাংকিংয়ের জন্য পৃথক কমিটি গঠনের মত দেন তিনি। এই ধরণের কার্যক্রমের ফলে ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম ব্যহত হয়। তিনি আরো বলেন, টাকা ব্যাংকে রাখলে সঞ্চয় হবে আর ‘এসএ’ ব্যাংকে রাখলে সঞ্চয় হবে না বিষয়টি এমন না। তিনি মনে করেন, ব্যাংক অবস্থা রক্ষণশীল হলে অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর। ১ লক্ষ স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সঞ্চয়ের জন্য করলে তা ভালোভাবেই পরিচালিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত