প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিরাজগঞ্জে বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ক্ষুদ্র কারখানা

ফারমিনা তাসলিম : সিরাজগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে গ্যাস সংযোগ যেন সোনার হরিণ । বড় প্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাস সংযোগ পায় খুব সহজে। কিন্তু ছোট কারখানাগুলোতে গ্যাস সুবিধা পেতে হলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়। অসাধু কর্মকর্তারাই চালাচ্ছে এ অসৎ কর্মতৎপরতা। গ্যাস না পেয়ে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। গ্যাস কোম্পানিগুলোর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমাঞ্চল কোম্পানিতে গ্যাস সরবরাহ কম ছিল।

দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের অভাবে সিরাজগঞ্জের যমুনা পেপার মিলস বন্ধ হয়ে গেছে। ২০১৪ সালে তারা বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগের জন্য আবেদন করেন। অনেক ঘুরেও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি থেকে মেলেনি কোন গ্রীন সিগন্যাল। কিছুদিন সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে পণ্য উৎপাদন করলেও পরে বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন।

সিরাজগঞ্জের যমুনা পেপার মিলসের মালিক বলেন, পশ্চিমাঞ্চলের অফিস থেকে বলা হয়েছে ডিও লেটার লাগবে। ডিও লেটার সংগ্রহ করে দিলাম, মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশ লাগবে তাও দিলাম। তারপরে দেখলাম অন্য মানুষ গ্যাস সংযোগ পেয়ে গেছে কিন্তু আমাদেরকে গ্যাস সংযোগ দেয়নি।

অনেক ক্ষুদ্র ঋণ উদ্যোক্তারা ব্যাংক ঋণ নিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই মূলধন তোলা নিয়ে এখন খুবই উদ্বিগ্ন আছেন। তাদের অভিযোগ সংযোগ পেতে দিতে হয় বড় অংকের ঘুষ। ঘুষ দিলে গ্যাস মিলে, না দিলে অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বলেন, আমাদের পরে অনেকে ফাইল জমা দিয়ে গ্যাস সংযোগ পেয়েছে। কোন আইনে তারা সবার আগে গ্যাস সংযোগ পায়। সরকার গ্যাস সংযোগ না দেয়ার ফলে অনেক মিল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপক তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্যাস সংযোগ আমি দিতে পারব না। আমার একজন সিনিয়র আছে উনি দিতে পারবে। আর আমাদের গ্যাস সরবরাহ অনেক দিন ধরে কম ছিল। ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাস সংযোগ না পেলেও কিন্তু নামকরা বড় প্রতিষ্ঠানগুলো খুব সহজে গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে।
সূত্র – যমুনা টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত