প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডি ভিলিয়ার্সকে টপকে ‘ছক্কাবাজ’ রোহিতের রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: মারকাটারি ক্রিকেটের এই যুগেও ‘টাইমিং’ আর ‘ক্লাস’ যে শেষ কথা, তার প্রমাণ রোহিত শর্মা। নইলে অমন অবলীলায় ছক্কা হাঁকান কীভাবে! নির্লিপ্ত, কিন্তু রাজকীয় সব ছক্কা রোহিতকে এ বছর পৌঁছে দিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। যেখানে তিনি টপকে গেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে!

২০১৭ সাল তো অন্তিমলগ্নে। এ বছর আর মাত্র একটি ম্যাচ খেলবে ভারত। সেটা আজই মুম্বাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। আগুনে ফর্মে থাকা ‘মুম্বাইকার’ রোহিত এ ম্যাচে ঘরের মাঠে কী করে বসেন কে জানে! আগের ম্যাচেই অবশ্য আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছোঁয়ার সঙ্গে একটি কীর্তিও গড়েছেন রোহিত; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এ বছর হাঁকিয়েছেন সর্বোচ্চসংখ্যক ছক্কা। ভারতীয় ওপেনার এ পথে টপকে গেছেন ২০১৫ সালে ডি ভিলিয়ার্সের গড়া ৬৩ ছক্কার কীর্তিকে।

সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগ পর্যন্ত এ বছর মোট ৬৪ ছক্কা মেরেছেন রোহিত। এর মধ্যে ওয়ানডেতে ২১ ম্যাচে হাঁকিয়েছেন ৪৬ ছক্কা, যেটা আবার ২০১৭ সালে এ সংস্করণে সর্বোচ্চ। ৩০ ছক্কা নিয়ে দ্বিতীয় রোহিতেরই জাতীয় দল সতীর্থ হার্দিক পা-িয়া। তবে টি-টোয়েন্টিতে রোহিত দ্বিতীয় স্থানটি ভাগ করে নিয়েছেন চারজনের সঙ্গে। ৮ ম্যাচে সমান ১৫টি করে ছক্কা হাঁকিয়েছেন রোহিত, কলিন মুনরো, মোহাম্মদ নবী আর ডেভিড মিলার। ৯ ম্যাচে তাঁদের থেকে ১৬টি ছক্কা বেশি মেরে শীর্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস। কিছুদিন আগে ক্রিস গেইল যাঁর সমন্ধে বলেছিলেন, ‘ওর দিকে চোখ রাখুন।’

কিন্তু ছক্কা মারায় এ বছর সবার চোখ অন্তত রোহিতের দিকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নাগপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরির ইনিংসে একটি ছক্কা মেরেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের এই ‘হিটম্যান’। দিল্লিতে পরের টেস্টে মেরেছিলেন দুটি ছক্কা। অর্থাৎ ওয়ানডেতে ৪৬, টি-টোয়েন্টিতে ১৫ আর টেস্টে ৩ ছক্কা মিলিয়ে এ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট ৬৪ ছক্কা হাঁকিয়েছেন রোহিত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছরে যা সর্বোচ্চ ছক্কা মারার রেকর্ড। ২০১২ সালে ক্রিস গেইলের গড়া ৫৯ ছক্কার রেকর্ডটা দুই বছর আগে ডি ভিলিয়ার্স লিখিয়েছেন নিজের নামে। এবার প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানকে পেছনে ফেলে রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন রোহিত।

কিন্তু তাঁর ছক্কা হাঁকানোর এখানেই শেষ নয়। ম্যাচ তো আরও একটা আছে! সে জন্য রোহিতের ভরসা অবশ্য তাঁর চোখ ধাঁধানো টাইমিংয়ে, ‘আমার অত শক্তি নেই। অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে আমি টাইমিংয়ের ওপর বেশি ভরসা রাখি।’ প্রথমআলো

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত