প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ট্রাম্পকে ঘোষণা ফিরিয়ে নিতে হবে : মে. জে. (অব.) মো. আলী শিকদার

সানিম আহমেদ : জেরুজালেম হবে ইসরাইলের রাজধানী। এই প্রস্তাবটির বিপক্ষে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিপুল গরিষ্ঠতার মধ্য দিয়ে পাস হওয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীতে এখন ধরা যায় সারা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। নিরাপত্তা বিশ্লেষক মে. জে. (অব.) মো. আলী শিকদার দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সাথে আলাপকালে এই সব কথা বলেন।তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা হুমকি দিয়েছিল, যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যাবে তাদের তারা দেখে নেবে। সেই হুমকি উপেক্ষা করে বিপুলসংখ্যক রাষ্ট্র যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ভোট দেয়, তাতে প্রমাণিত হয়, আগে যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চোখ রাঙিয়ে সারা বিশ্ব শাসন করতো, সারা বিশ্বের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতো, এখন তেমন হচ্ছে না।

সুতরাং এই প্রস্তাবটি পাসের মধ্য দিয়ে বিশ্বে একটি নতুন বার্তা এলো। সেই বার্তা হলো, একতরফাভাবে মুসলিম রাষ্ট্র এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ঘোষণা দিয়েছেন, সেটি পৃথিবীর মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের এই প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে ফিলিস্তিন এবং মুসলিম রাষ্ট্রের পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেটি এখনো বলা কঠিন। তবে এটি অবশ্যই দেখা যাবে। যা-ই হোক না কেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যে এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিনের যে দ্বন্দ্ব তা নিরসন কখনোই হবে না।

সুতরাং মধ্যপ্রাচ্যে যদি শান্তি স্থাপন করতে হয়, ইসরাইল-ফিলিস্তিনে শান্তি স্থাপন করতে হয়, তাহলে তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে। যদি মেনে নেওয়া না হয়, তাহলে সংঘর্ষ অনিবার্য এবং অশান্তি আরও বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে, তাহলে বিশ্ব শান্তির জন্য সেটি সহায়ক হবে এবং সেটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ভালো হবে। আর যদি পরিবর্তন না করে, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর যদি ধরপাকড় চালিয়ে যায়, তাহলে আরেকটি যুদ্ধ আসন্ন। তেল এবং গ্যাসের প্রধান সরবরাহকারী হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। যুদ্ধ বেঁধে গেলে সারা বিশ্বের ওপর চাপ পড়বে।

সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত