প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিখোঁজদের নিয়ে তদন্তে পুলিশের অাগ্রহ নেই: নুর খান লিটন

ফারমিনা তাসলিম: মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের দেয়া তথ্য মতে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৪ শ’র বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। গত ৪ দিনে নিখোঁজ ৩ জনের সন্ধান মিলেছে। প্রায় ৪ মাস নিখোঁজ থাকার পর কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন পুলিশ। এছাড়া সাংবাদিক উৎপল দাস ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান ফিরে এসেছেন।

বাংলাদেশের এ সকল ঘটনায় পুলিশ নিজেরাই কতটা তদন্ত করে? এমন প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেছেন বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আমরা পুলিশের এক ধরণের অনীহা লক্ষ্য করেছি। বিশেষ করে পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা অনেক সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।

ইতিমধ্যে নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে যারা পুলিশের কাছে মামলা করতে গিয়েছে পুলিশ তাদের অভিযোগ কতটা গুরুত্ব দিয়েছে?

জবাবে নুর খান লিটন বলেন, অনেকগুলো অভিযোগের ক্ষেত্রে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। আবার কোন কোনটি এখনো বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। অনেক সময় লক্ষ্য করেছি এ ধরণের মামলা নেয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের যেমন অনীহা আছে, ঠিক তদন্ত করার ক্ষেত্রেও অনীহা আছে। ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তার তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করার কাজগুলো আমরা করি না।

অনেক ঘটনায় নিয়ে মানবাধিকার কর্মীরাও কাজ করেছে। ঘটনাগুলোর কী অবস্থা এখন?

জানতে চাইলে নুর খান লিটন বলেন, আমরা এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সংগঠনগুলোও অনেক ঘটনার তথ্য অনুসন্ধান করেছে। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান গতকাল নিজে বলেছেন, এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ পর্যায়ে যদি পাওয়া যায়, পুলিশের অনীহার ব্যাপারে তদন্ত করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হবে। আমাদের ক্ষেত্রেও তা লক্ষ্য করেছি।

নিখোঁজদের আত্মীয়রা আপনাদের কাছে আসেন। পুলিশের বিষয়ে তাদের ভাষ্য কী? ভুক্তভোগীরা কতদূর সহায়তা পান?

জবাবে নুর খান লিটন বলেন, যে পরিবারগুলো আমাদের কাছে সাহায্যের জন্য আসেন প্রথমত তাদেরকে পুলিশের কাছে নিয়ে যাই। অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরোক্ষ বা প্রত্যেক্ষ সংশ্লিষ্টতার কথা লেখা থাকে। তারা সাধারণত ওই অংশটি কেটে জিডি আকারে গ্রহণ করেন এবং তারপরে জিডি বা অভিযোগটি গুরুত্ব দেয়া হয় কি না বা ফলোআপ করা দৃশ্যমানটা আমরা দেখি না।

পুলিশ মামলার ক্ষেত্রে অনীহা প্রকাশ করে। পুলিশ কেন মামলা নিতে চায় না বা ফলোআপের ক্ষেত্রে এরকম হয় কেন?

জবাবে নুর খান লিটন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যারা ফিরে এসেছেন তাদের দুজনের ক্ষেত্রে পুলিশের যে ধরণের তৎপরতা থাকা দরকার, যেমন- তাদের কাছ থেকে তথ্য নেয়া বা সেটা যাচাই-বাচাই করা। অথবা তারা তথ্য দিতে না চাইলে, কেন তথ্য দিচ্ছে না সে বিষয়ে অনুসন্ধান লক্ষ্য করি না।

সূত্র – বিবিসি বাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত