প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০ মাসে গ্রেপ্তার ২৯ সাংবাদিক
সু চির আমলেও ঝুঁকিতে স্বাধীন সাংবাদিকতা

ডেস্ক রিপোর্ট : অং সান সু চি মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর অনেকে আসা করছিলেন গণতন্ত্রের বিকাশ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার সুযোগ বুঝি বাড়বে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি লক্ষ করা যাচ্ছে না। সু চি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর হয়েছেন ২০ মাস হলো। এই সময়ের মধ্যে ২৯ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে অবশ্য অধিকাংশই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

কেবল এই ডিসেম্বরেই ৫ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশটিতে কর্মরত রয়টার্সের দুই সাংবাদিক। রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা নিয়ে প্রতিবেদন করার চেষ্টার কারণেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মুক্তির জন্য জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন মহল থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তারের এই ঘটনা রোহিঙ্গা নির্যাতনের ইস্যু নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের আতঙ্কের মাঝে ফেলে দিয়েছে, হয়তোবা তাঁরাও আটক হয়ে যেতে পারেন।

ইয়াঙ্গুনভিত্তিক সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা সনি সয়ে বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর আরও বেশি ঝুঁকি আসছে। আমার মনে হচ্ছে, সাংবাদিকতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আমরা সামনে না এগিয়ে বরং পিছিয়ে যাচ্ছি।’

আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারের তথ্য বলছে, এ বছর গণমাধ্যমের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ১৮০টি দেশের মধ্যে মিয়ানমারের অবস্থান ছিল ১৩১তম।

স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, তাঁরা রাখাইনের ঘটনায় স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন করতে পারছেন না। কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের অনবরত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ইরাবতী পত্রিকার সাংবাদিক মোয়ে মিয়ে এই গ্রেপ্তারের ঘটনাকে রাখাইনের নির্যাতন নিয়ে প্রতিবেদন বন্ধের চেষ্টা হিসেবে মনে করছেন।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি জটিল করবেন না: চীন

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ‘গঠনমূলক সাহায্য’ করার জন্য অন্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে চীন। জাতিসংঘের কর্মকর্তাকে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের অনুমতি দেয়নি মিয়ানমার। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, পরিস্থিতি জটিল না করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই সংকট সমাধানে সহায়তা করা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত