প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুভ জন্মদিন মুহম্মদ জাফর ইকবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘সাদাসিধে কথা’ নামটি শুনলেই যে মানুষটির কথা মনে পড়ে এবং যে সহজ সরল ভাষায় সাদাসিধে কথা বলতে পারেন সে আর কেউ না আমাদের জনপ্রিয় লেখক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালের কথাই বলছি। বাংলাদেশী কিংবদন্তী লেখক ডঃ মুহম্মহ জাফর ইকবাল স্যারের ৬৫ তম জন্মদিন আজ। শুভ জন্মদিন স্যার, আমাদেরসময়ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে স্যার’কে জানাই জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। তিনি ১৯৫২ সালের এই দিনে সিলেটে জন্মগ্রহন করেন। তিনি একাধারে শিক্ষক, পদার্থবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা গবেষক, লেখক, কলামিষ্ট ও একজন বিজ্ঞানী। তিনি আমাদের মাঝে থাকুন আরো অনেক দিন। অনেক যুগ।

তার জন্মদিনে তার সম্পর্কে …
স্যার ছোট বেলায় একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি ড্রোন নিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর উপর ঝাপিয়ে পড়বেন এমন চিন্তা করেছিলেন,কিন্তু ড্রোন নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ার আগেই দেশ স্বাধীন হয়ে যায়। স্যার এখনো এই দেশের মৌলবাদী,জামাতি, হেফাজতি জঙ্গী সংগঠন গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। স্যারের সব চেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন সফল সাহিত্যক। বাংলা সাহিত্য তার কাছে অনেক ঋনী।

বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের কাছে খুব প্রিয় নাম মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ‘আমি তপু’, ‘টুকুনজিল’, ‘দস্যি ক’জন’, ‘রাশা’, ‘মেকু কাহিনী’, ‘বৃষ্টির ঠিকানা’ ইত্যাদি জনপ্রিয় কিশোর উপন্যাসের লেখক তিনি। তাঁর লেখা অনেকগুলো কিশোর উপন্যাস বাংলা কিশোর-সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। এছাড়াও লিখেছেন অসংখ্য বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। ছোটদের কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাস সহজ ভাষায় তুলে ধরতে লিখেছেন ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ নামে ২২ পৃষ্ঠার একটি পুস্তিকা।

শিশুসাহিত্যিক হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই লেখকের লেখালেখির শুরুটা বেশ অদ্ভুত। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। প্রথম সায়েন্স ফিকশন গল্প ‘কপোট্রনিক ভালোবাসা’ প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। গল্পটি পড়ে একজন পাঠক দাবি করেন সেটি কোনো এক বিদেশি গল্প থেকে চুরি করা। অনেকটা এর উত্তর হিসেবেই তিনি একই ধরনের আরো বেশ কয়েকটি গল্প বিচিত্রার পরপর কয়েকটি সংখ্যায় লিখে পাঠান। এ গল্পগুলো নিয়েই পরবর্তীতে ‘কপোট্রনিক সুখ-দুঃখ’ বইটি প্রকাশিত হয়। বইটি পড়ে শহীদ-জননী জাহানারা ইমাম বেশ প্রশংসা করেন।

পিতা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমদ, মা আয়েশা আখতার খাতুন। বাবার চাকরীর কারনে পুলিশে। তাই ছেলেবেলায় বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করেছেন। ১৯৭১ সালের ৫ মে পাকিস্থানী আর্মি হত্যা করে তার বাবাকে। জনপ্রিয় উপন্যাসিক ও পরিচালক হুমায়ুন আহমেদ তার বড় ভাই, সাহিত্যিক, কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব তার ছোট ভাই। মুহাম্মদ জাফর ইকবালের আরেকটি নাম ছিল বাবুল। স্যার ব্যক্তিজীবনে ১ স্ত্রী ২ সন্তানের জনক। তার স্ত্রীর নাম ড. ইয়াসমীন হক, ছেলে নাবিল ইকবাল ও মেয়ে ইয়াশিম ইকবাল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত