প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও অনুভূতি

এম. আমান উল্লাহ, কক্সবাজার : মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে এসেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কয়েকজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করা হাইফা বেসেইসার কথা এই পেজে শেয়ার করা হয়। হাইফা সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক ইউটিউবার। সর্বশেষ এই পোস্টটিতে রোহিঙ্গাদের সাথে তার সময় কাটানোর তিনটি ছবিও শেয়ার করা হয়।
হাইফা বেসেইসো বলেছেন, আমাদের প্রত্যেককে একটা মহৎ কাজের জন্য ডাকা হয়েছিল। যখনই ডাক পেয়েছি, কোন প্রশ্ন না করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাওয়ার। কারণ আমরা দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করি, এই জরুরি পরিস্থিতি সবার নজরে আসা উচিত।
এছাড়া হাইফা বেসেইসো, সাকের খাজালদের সাথে এসেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আরও দুইজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাথে দেখা করতে এবং তাদের অবস্থা দেখতে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এসেছেন তারা। সামাজিক মাধ্যমে এদের রয়েছে লাখ লাখ অনুসারী। অপর দু’জন হলেন সৌদি আরবের নারী ব্যবসায়ী আদওয়া আল দাখিল, লেবানিজ-অস্ট্রেলিয়ান আইনজীবী ও মিস ওয়ার্ল্ড অস্ট্রেলিয়া জেসিকা কাহাওয়াতি।
এছাড়া অপর এক পোস্টে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাকের খাজালকে দেখা যায়। তিনি একাধারে লেখক এবং উদ্যোক্তা । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিয়ে নিজের অনুভূতি জানান তিনি। ফিলিস্তিনি-কানাডিয়ান লেখক এবং ‘স্টেপ-ফিড’এর প্রতিষ্ঠাতা শাকের। কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে তিনি রোহিঙ্গাদের সাথে দেখা করেন।
এছাড়াও ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে দেয়া এক পোস্টে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফররত জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ডেপুটি হাই কমিশনার কেলি ক্লেমেন্টসকে দেখা যায়। তিনি গত ৩-৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন। ওই পোস্টে তার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কিছু মুহূর্তের ছবিও দেয়া হয়।
এছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদিরিম। ২৫ আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার নিপীড়ন শুরুর পর আরও বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে আসেন।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে রোহিঙ্গাদের দেখতে আসেন তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমিন এরদোয়ান এবং দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেগলুত কাভাসোগলু। নভেম্বরের মাঝামাঝি আসেন জাপানের পররাষ্ট্রন্ত্রী তারো কোনো, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গ্যাব্রিয়েল ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারগট ওয়ালস্টার।
অক্টোবরে ১৬ তারিখ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান মালয়েশিয়ার উপ প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি। ২৩ অক্টোবর আসেন জর্ডানের রানি রানিয়া আল আব্দুল্লাহ। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রান্ডি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন ২৪ সেপ্টেম্বর।
এছাড়াও বিভিন্ন সময় কূটনীতিক, মন্ত্রীসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসেন।
গত ১৬ নভেম্বর প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, হলিউড সুপারস্টার অ্যাঞ্জেলিনা জোলি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের বিশেষ দূত হিসেবে আসার কথা রয়েছে তার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত