প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কম্বোডিয়াকে বাণিজ্যের অপার সম্ভাবনাময় ভাবছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়ায় চামড়া, পোশাক, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানিখাতে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বিশাল সম্ভাবনা দেখছেন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে দু’দেশের সরকারের বাণিজ্যিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সেই দেশে দ্রুত বাংলাদেশের দূতাবাস স্থাপনের দাবি করছে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।

দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে কম্বোডিয়া। বিধ্বস্ত এই দেশটি আর্থ-সামাজিক অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে এখন উন্নয়নের পথে। দেশ পুনর্গঠনে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়ছে দিনে দিনে। উন্নত হচ্ছে বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মানও। তাই প্রতি বছরই দেশটি কয়েক বিলিয়ন পণ্য আমদানি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে।
স্বল্প জনসংখ্যা অথচ বিশাল আকৃতির দেশ কম্বোডিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা অসীম। আর তাই নিকটতম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই ক্ষেত্রকে কাজে লাগাতে পারে।

ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে সেখানে গড়ে তুলেছেন শিল্প-কারখানা। যেখানে বাংলাদেশী শ্রমিক ছাড়াও কাজ করছেন কম্বোডিয়ানরা। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রপ্তানি করছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, উন্নয়নশীল এই দেশটিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

মিলিনা ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচলক আবুল খায়ের মিয়া বলেন, আমাদের দেশের চেয়ে এদেশের ভূমি ত্রিশ শতাংশ বড়। আমাদের দেশের শ্রমিকদের আমরা এদেশে কাজে লাগাতে পারবো। এখানে গার্মেন্টসের টেকনিশিয়ানের খুবই অভাবে। গত বছরও আমরা কম্বোডিয়া থেকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশে পাঠিয়েছি।
পোশাক শিল্পের মতো চামড়া, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে কম্বোডিয়ায়। এক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে ভিসা সহজীকরণসহ দুই সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশ ট্রেডিং লিমিটেডের এম এইচ কবির বলেন, আমাদের বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট হোল্ডারদের ভিসাতে সমস্যা আছে। এইজন্য দুই দেশের সরকাররা যদি কথা বলে বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য ভিসাটা ফ্রি করে দিত তাহলে অনেক শ্রমিক কম্বোডিয়ায় এসে কাজ করতে পারতো।

সেভ আর্থ পরামর্শক আখতারুজ্জামান সানু বলেন, ১০ থেকে ২০ হাজার হেক্টর জায়গা দীর্ঘমেয়াদী লিস নিয়ে ফসল উৎপাদন করি তাহলে এটি আমাদের অনেক উপকার করবে। কারণ এটি তখন বাংলাদেশে চালের চাহিদা মিটাবে।

ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়াও শ্রমশক্তি রপ্তানির বিশাল সুযোগ রয়েছে এখানে। তাছাড়া বর্তমানে কম্বোডিয়ায় তিন শতাধিক বাঙালি বসবাস করেন। এর মধ্যে শতাধিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত আছে বলে জানান প্রবাসীরা।

সূত্র: সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত