প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাখাইনে উন্নয়ন সহযোগিতায় ভারত-মিয়ানমার সমঝোতা স্বাক্ষর

রাশিদ রিয়াজ : রাখাইনে উন্নয়ন সহযোগিতায় ভারত ও মিয়ানমার সমঝোতা চুক্তি স্বাকর করেছে। রোহিঙ্গাদের জন্যে ঘরবাড়ি নির্মাণ ছাড়াও আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে ভারত। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের বিষয়টিও স্থান পেয়েছে ওই চুক্তিতে। দুটি দেশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইন অঞ্চলে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা ও এখান থেকে চলে যাওয়া মানুষদের ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে মিয়ানমারকে সরকারকে সাহায্য করতে চায় ভারত। ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমার

বুধবার নেইপিদোতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর ও মিয়ানমারের সমাজকল্যানমন্ত্রী উ সো অং এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার রোহিঙ্গদের প্রত্যাবাসনের যে চুক্তি করেছে তা অনুসরণ করেই দুটি দেশ এ সমঝোতা স্বাক্ষর করে। মিয়ানমারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্র বলেছেন, রাখাইনের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ চুক্তি দীর্ঘয়োদি ভূমিকা রাখবে। তবে দুটি দেশের এ চুক্তিতেও ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করে বাস্তুচ্যুত মানুষের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে আনন্দবাজার এ প্রসঙ্গে এক প্রতিবেদনে বলছে, গত সেপ্টেম্বরে মিয়ানমার সফরে গিয়ে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বরং সে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে মিয়ানমারকে খুশি করার চেষ্টা করেছিলেন। কারণ, ভারতের বরাবরের আশঙ্কা মিয়নমারকে তুষ্ট রাখতে না-পারলে দেশটি পুরোপুরি চীনের প্রভাবে চলে যাবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল এই রোহিঙ্গা চাল দিয়েই একই সঙ্গে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশকে কাছে টেনে নিল চীন। চীনের প্রস্তাব ছিল রাখাইন প্রদেশে অবিলম্বে সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা, রোহিঙ্গাদের দেশ ছেড়ে যাওয়া বন্ধ করা এবং শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনা। পাশাপাশি রাখাইনের দারিদ্র দূরীকরণে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোগার। এ ব্যাপারে সিংহ ভাগ দায়িত্ব নিতেও রাজি হয় চীন।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে চীনের এই আধিপত্য খর্ব করতে জয়শঙ্করের এই আপৎকালীন মিয়ানমার দৌড় , এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ