প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিনিশার আত্মহত্যাকে রহস্যজনক দাবি করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

সুজন কৈরী : বিনিশার আত্মহত্যাকে রহস্যজনক দাবি করাসহ কলেজ কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে ১০ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছেন পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

কলেজ কর্তৃপক্ষের অনৈতিক টাকা দাবি, জরিমানার ফাঁদ ও অতিরিক্ত চাপে আত্মহত্যা করেছেন বিনিশা। আত্মহত্যার কারণ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে রয়েছে বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্লেকার্ড। এগুলোর মধ্যে লেখা রয়েছে- পরীক্ষা চলাকালীন বিনিশাকে কার কক্ষে ডেকে নেয়া হয়? ওই ১৫ মিনিট কেন বিনিশা পরীক্ষা হলের বাইরে ছিল? কেন শিক্ষার্থীদের ফেলের ফাঁদে ফেলে অনৈতিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়? কথায় কথায় জরিমানা কেন এবং ফাইনাল প্রুফের পর অতিরিক্ত ৬ মাসের বেতন কেন দেবো?

সালমান নামের এক শিক্ষার্থী জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষ ফাইনাল অ্যাসেসমেন্টসহ সকল ধরনের পরীক্ষা বন্ধ করেছে। ক্লাশ বন্ধ করেছে। ছাত্র ও ছাত্রীদের হোস্টেল ত্যাগে বাধ্য করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সিসি ক্যামেরা বন্ধ রেখেছে। এভাবে একটা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আমাদের কোনো কারণও ব্যাখ্যা করা হয়নি।

সোহান নামে অপর শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের উপর অমানবিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। অনৈতিকভাবে জরিমানা আদায় ও ফেল করিয়ে জরিমানার ফাঁদ পেতেছে তারা। ৫ বছরের কোর্স ৭ বছরেও শেষ হচ্ছে না। এখনও আমি থার্ড ইয়ারে। মৌখিক পরীক্ষায় একবার পাশ করিতো লিখিত পরীক্ষায় ফেল করে দেয়, আরেকবার লিখিত পাশ তো মৌখিক পরীক্ষায় ফেল। ফের করলেই ৪০ থেকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা। আর উপরি হিসেবে ফের একটি বছরের টাকা আদায় করে। এসব নিয়ে কথা বললেই ফেল করার হুমকি, চাপ আসে। এমন চাপেই বিনিশা আত্মহত্যা করেন বলে দাবি এ শিক্ষার্থীর।

আত্মহত্যা করা নেপালী ছাত্রী বিনিশার এক সহপাঠী বলেন, আমাদের একা একা ডাকে কথা বলার জন্য। একা গেলেই নানা চাপ ও হুমকি দেয়। আমরা আর মানবো না। এবার এসবের হিসেব দিতে হবে। বিনিশার আত্মহত্যা স্বাভাবিক নয় দাবি করে ওই ছাত্রী বলেন, বিনিশার সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করা হয়েছে যে কারণে আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছে সে। ঘটনার সুষ্টু তদন্ত করা হলে সঠিক কারণ বের হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত