প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ওআইসি সম্মেলন: বিলাসবহুল গাড়ি কেনার উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট : ওআইসিভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনকে সামনে রেখে ৩০টি মার্সিডিজ বেঞ্জ এবং বিএমডবিস্নউ গাড়ি আমদানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রস্ত্মাব অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে তোলা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে।
২০১৮ সালের মে মাসে ঢাকায় ওআইসি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এতে যোগ দিতে অন্যান্য দেশ থেকে যেসব অতিথিরা আসবেন, তাদের যাতায়াত ও পরিবহনের জন্য এসব গাড়ি আমদানি করবে বাংলাদেশ সরকার।

এসব গাড়ি সরাসরি কোম্পানির কাছ থেকে কেনা হবে। প্রতিটি গাড়ির ক্ষেত্রে কম-বেশি ৭০-৮০ লাখ টাকার মতো খরচ পড়বে বলে জানা গেছে।
সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত্ম মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় বুধবার এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদনের জন্য এ-সংক্রান্ত্ম প্রস্ত্মাব উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

বিলাসবহুল এসব গাড়ি শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনার বিষয়ে এখন অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত্ম মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেলেই আর কোনো বাধা থাকবে না।

নপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে আসা অতিথিদের যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরিবহন সুবিধা দেয়ার জন্য ৩০টি মার্সিডিজ বেঞ্জ/বিএমডবিস্নউ গাড়ি আমদানি প্রয়োজন। এগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদন রয়েছে।

চিব মুন্সি শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্ত্মাব এসেছে। সে জন্য আমরা গাড়িগুলো কিনে দেয়ার ব্যবস্থা করছি।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই সচিব আরও বলেন, ‘বিদেশি অতিথিরা আসবে তাদের সামনে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরাই এর লক্ষ্য। অতিথিরা যারা আসবেন, তারা তো উন্নত মডেলের গাড়িতে চলাচল করে অভ্যস্ত্ম। তাদের সুবিধার কথা ভেবেই এই প্রস্ত্মাবটি এসেছে।’
এর আগে ১৯৮৩ সালে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছিল এবং সে সময় টয়োটা ক্রেসিডা গাড়ি কেনা হয়েছিল বলে উলেস্নখ করেন মি. আহমেদ। সম্মেলনের পর এসব গাড়ির কি হবে? আইভরি কোস্টের ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৪তম সম্মেলনে সিদ্ধান্ত্ম হয়, আগামী বছর ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৫তম সম্মেলনের আয়োজন হবে ঢাকায়। কিন্তু সম্মেলন শেষে বহু মূল্যের এসব গাড়ি কি করা হবে?

পরিকল্পনা অনুসারে কিছু গাড়ি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে। কর্মকর্তাদের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আমন্ত্রিত অতি গুরম্নত্বপূর্ণ অতিথিদের জন্য সেসব গাড়ি ব্যবহার করা হবে।
এ ধরনের কেনা গাড়ি অতীতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রীদের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত