প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৭ মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি আমাদের গর্ব

ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম : আমার সৌভাগ্য হয়েছিল স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র লেখার। তিনটি মূল্যবোধের কথা সেখানে উল্লেখ আছে। একটা হচ্ছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। আর দুটি কথা আমরা বলেছিলাম যে, সরকার হবে ন্যায়ানুগ ও নিয়ামানুগ। এই পাঁচটি কথার ওপরই আমাদের সংবিধান তৈরি হয়েছে। ন্যায়ের কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বলছেন। মানুষ যাতে তার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পারে, মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে সেই আহ্বান তিনি বারবার রাখছেন সবার কাছে।সাত মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্বস্বীকৃতি দিয়েছে। ইতোমধ্যেই এই ভাষণ আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যায়িত হয়ে গেছে। কিন্তু আমার সৌভাগ্য হয়েছিল সেই মঞ্চে উপস্থিত থাকার। খুব কাছ থেকেই শোনার সৌভাগ্য হয়েছিল সেই ভাষণ। ছিলাম মন্ত্রমুগ্ধ। সারা পৃথিবীর মানুষ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে আজকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।

সাত মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি প্রাপ্য ছিল। দেরীতে হলেও অনন্য এই ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি আমরা পেয়েছি। এজন্য আমরা আনন্দিত। অনেক ভালোলাগার বিষয়। যে ভাষণে একটি নিরস্ত্র জাতিকে জাতির জনক একত্র করেছিলেন সেই ভাষণ মর্যাদার আসন পাবে এটাই তো স্বাভাবিক।বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ৭ মার্চের দেওয়া ভাষণটি ছিল অসাধারণ।

স্ট্র্যাটেজি, পলিসি, ডিপলোমেসি, ব্যালেন্স এর পাশাপাশি জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা। কীভাবে যুদ্ধ করতে হবে, শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে তার সবকিছুই ভাষণের মধ্যদিয়ে বলে গেছেন। ‘আমরা ভাতে মারব, পানিতে মার…’ ‘তোমরা আমরা ভাই, ব্যারাকে থাকো, তোমাদের কেউ কিছু বলবে না।’ ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো…’ । হয়েছিলও তাই। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলেছিল বাংলার জনগণ।

পরিচিতি: সংবিধান প্রণেতা
সম্পাদনা: আশিক রহমান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত