প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জিহাদিদের রেহাই নেই : মধ্যপ্রাচ্য প্রসঙ্গে ট্রাম্পের নীতি

কামরুল আহসান : সোমবার জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্য প্রসঙ্গে নিরাপত্ত নীতি প্রকাশ করতে গিয়ে এ সময় তিনি ২৭ বার ‘জিহাদি’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। বারবার বলেছেন, জিহাদিদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। তাদের আমরা সিরিয়া ও ইরাক থেকে তাড়িয়েছি। এখনো আমরা তাদের পেছনে ধাওয়া করছি। তারা যেখানে যাবে আমরাও সেখানে যাব। কিন্তু, তাদের কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেব না।

‘জিহাদি’ বা ‘ইসলামিক চরমপন্থী’ শব্দটি বারাক ওবামার সময় ২০১৫ সাল থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল, যাতে করে তাতে মুসলিম মানসে কোনো খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি না করে। কিন্তু, ট্রাম্প সেই শব্দটিকেই নতুন করে জাগিয়ে তুললেন।

৬৮ পৃষ্ঠার কৌশলগত নীলনকশায় ট্রাম্প ভারত, চীন, রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে মার্কিন নিরাপত্তা নীতি প্রকাশ করেন। এটা মার্কিন প্রেসিডেন্টদের একটা নিয়মিত রীতি। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ২০১৫ সালে এমন এক কৌশলনীতি প্রকাশ করেছিলেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নীলনকশায় ‘আমেরিকাই প্রথম’ নীতিকেই প্রাধান্য দিলেন। শুধু কৌশলপত্র প্রচার করেই তিনি ক্ষ্যান্ত থাকেননি। কয়েক দফা টুইট করেও নিজের উত্তেজক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। আমেরিকার জনগণের নিরাপত্তা, আমেরিকার সমৃদ্ধি প্রচার, শক্তিমত্তা দিয় শান্তি বজায় রাখা এবং আমেরিকার প্রভাবের প্রসার এই চারটি মূল নীতি নিয়েই তিনি আগামীর আমেরিকা চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে থাকবে তার বিশেষ নজর। ইসরায়েল ও সৌদি-আরবের সহযোগিতা নিয়ে ইরানের শক্তিমত্তা নিয়ন্ত্রণ করে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি নিশ্চিত করবেন।
এ সময় তিনি বারবার জিহাদি শব্দ উচ্চারণ করে বলেন, জিহাদিরাই আজকের আমেরিকার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। আমরা যে করেই হোক তাদের ‘সর্বগ্রাসী’ দৃষ্টিভঙি নিয়ন্ত্রণ করবো। ইরানকেও তিনি এ হুমকির আওতায় ফেলেছেন। ইরানের সঙ্গে পরমাণু নীতিকেও তিনি ধ্বংসাত্মক বলে মন্তব্য করেছেন। জেরুজালেম নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে জানিয়েছেন ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠায় কোনো বিঘœ ঘটাবে না। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি বরং ইসরায়েলের সহযোগিতার নেয়ার কথাই বললেন। মিডিল ইস্ট আই, জিউস টেলিগ্রাফিক এজেন্সি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ