প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উত্তরায় অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে ২ সিএনজি ছিনতাই

নুরুল আমিন হাসান: রাজধানীর উত্তরায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সুমন, মাসুম ও হযরত নামের তিন সিএনজি চালক। একটি গাড়ী পুলিশের সহযোগীতায় উদ্ধার করা হলেও অপর দুটি সিএনজি নিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।

উত্তরা পশ্চিম থানাধীন জসিমউদ্দিন মোড়ে সোমবার রাত ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় উক্ত ড্রাইভারদের উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে দুই চালকে সিএনজি গ্যারেজের লোকজন এসে শনাক্ত করে নিয়ে যায়।

অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়া সিএনজি চালক হযরত আমাদের সময় ডটকমকে বলেন, “উত্তরা
৫ নম্বরে সেক্টরের একটা চায়ের দোকানে রাত ১০টার দিকে আমি এক কাপ চা আর একটা বিস্কুট খাইছি। পরে কি হইছে কিছুই জানি না।” টাকা পয়সা ও গাড়ী কোথায় তাও বলতে পারেন নি কিছু।

এদিকে মিরপুর ১২ শহীদ জিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনের গ্যারেজের মিস্ত্রী মো. ইরফান আমাদের সময় ডটকমকে জানান, ঢাকা মেট্রো থ ১৪-২৫৫৪ নম্বরের গাড়ীটি উত্তরা থেকে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কিছু খাইয়ে নিয়ে যায়।

পরে, চোরেরা ওনার মোবাইল থেকে ড্রাইভারের শালীকে ফোন দিয়ে বলে, ” আপনার ড্রাইভা উত্তরা এলাকায় আছে। ড্রাইভার খোঁজেন। আমরা গাড়ী নিয়ে গেলাম। গাড়ীর বিষয়ে পরে যোগাযোগ করে জানানো হবে।”

খিলগাঁও কুমিল্লা হোটেল মোড়ের বড় ফখরুল মাহাজনের গ্যারেজের ম্যানেজার কামাল হোসেন জানান, ঢাকা মেট্রো থ ১২-৭১৫১ নম্বরের গাড়ীটি পুলিশের সহযোগীতায় পাই। ড্রাইভার সুমনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

অপরদিকে দিকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া মাসুম নামের অপর আরেক সিএনজি চালক আমাদের সময় ডটকমকে বলেন, ” আমার বাড়ি বরিশালের স্বরূপকাঠি থানা এলাকায়। আমি উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে ৫ টাকা দিয়া একটা চা খাইছি। এরপর মাথাটা হালকা জ্যীম ধরেছে। পরর কারা যেন আমার টাকা পয়সা ও মোবাইল ফোন নিয়া গেছে। সাথে আমার সিএনজিটাও লইয়া গেছে । যার নম্বর ঢাকা মেট্রো থ ১৪-২৯৯৪। আর কিছুই কইতে পারি না।”

প্রত্যাক্ষদর্শী শিপন নামের এক রিকশা চালক আমাদের সময় ডটকমকে বলেন, “আমি ৫/৬ ঘন্টা আগে আজমপুর থেকে রাজলক্ষ্মী ব্রীজের এখানে এসে দেখে সিএনজি চালক গাড়ীর হেন্ডেলের লগে মাথা দিয়া ঘুমাইয়া রয়েছে। গাড়ী নাড়াইছি। এরপরও উডে না। পরে দরজা খুলে মাথায় পানি ঢাইলা, একটা লেবু ও পানি খাওয়াইয়া তার ঘ্যান ফিরাই।”

এদিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন জসিম উদ্দিনে কর্তব্যরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার আমাদের সময় ডটকমকে জানান, অচেতন অবস্থায় এক সিএনজি চালকসহ সিএনজিকে উদ্ধার করে তার গ্যারেজের লোকজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে মহাসড়কের হেলে হাতাহাটি করছিল। এমতাবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সিএনজি ড্রাইভার হযরতের লোকজন তাকে নিয়ে যায়। এছাড়াও মাসুম নামের একজনকে মোবাইল টহল গাড়ী ঢেকে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ড্রাইভার মাসুম কিছুই বলতে পারছে না। অচেতন অবস্থায় বর্তমানে রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ