প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতের সেফহোমে প্রায় ৩ বছর আটক শেষে আপন ঠিকানায় ফিরলেন মামুন

শামসুজ্জোহা পলাশ, চুয়াডাঙ্গা : ভারতে প্রায় ৩ বছর সেফহোমে আটক শেষে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা চেকপোষ্ট সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আপন ঠিকানায় ফিরলেন মামুন অর রশিদ (৪৫)।

সে রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার চামটা গ্রামের আ. করিমের মানসিক প্রতিবন্ধি ছেলে। মামুন প্রায় ৩ বছর আগে সকলের অজান্তে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ করে। মামুন নিখোঁজের ৮ মাস পর ভারতীয় একটি স্যাটেলাইট টিভির অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিবারের লোকজন জানতে পারে তাদের ছেলে ভারতের সেফহোমে আটক আছে।

বিজিবি ও বিএসএফ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের গোড়ার দিকে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ করে মামুন অর রশিদ।

সে ভারতে প্রবেশের কয়েক দিনের মাথায় পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া বিএসএফ’র হাতে ধরা পড়ে। মানসিক প্রতিবন্ধি হওয়ার পরও বিএসএফ মামুনকে বেধড়ক মারধোর করে তার একটি পা ভেঙ্গে দেয়।

পরে ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ নিশ্চিত হয় মামুন প্রতিবন্ধি। তখন তাকে নদীয়া জেলার নাকাশিপাড়া হৃদয় বেসরকারী সেফহোমে রাখা হয়।

প্রায় ৩ বছরের মাথায় মামুনকে ভারত থেকে ফেরত পাঠাতে রোববার (১৯ নভেম্বর) সন্ধা ৬ টারদিকে দর্শনা জয়নগর সীমান্তের ৭৬নং মেন পিলারের কাছে বিজিবি-বিএসএফর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ বৈঠকে বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, নায়েব সুবেদার মোখলেসুর রহমান, বিজিবির আইসিপি ইনচার্জ হাবিলদার ইকবাল হোসেন, দর্শনা জয়নগর ইমিগ্রেশন ইনচার্জ এসআই শেখ মাহবুবুর রহমান, দামুড়হুদা থানার এসআই শ্যামল সমাদ্দার।

বিএসএফ’র পক্ষে ছিলেন গেদে বিএসএফ ক্যা¤েপর বিমল কুমার, ইমিগ্রেশন অফিসার তরুণ কুমার প্রমুখ। বিএসএফের কাছ থেকে মামুনকে বুঝে পেয়ে বিজিবি পরে মামুনকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিতে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্থান্তর করেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে মামুনের পরিবারের লোকজন রোববার রাতেই দামুড়হুদা মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ