প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৩০ বছরেও চালু হয়নি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের অনলাইন কার্যক্রম

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া: প্রতিষ্ঠার ৩০ বছরেও অনলাইন কার্যক্রম চালু করতে পারেনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। এতে গ্রাহকরা যেমন উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যাংকটি। যার জন্য কিছু কর্মকর্তার অনাগ্রহ এবং সীমাবদ্ধতাকেই দায়ী করছেন ব্যাংকের পরিচালক। সূত্র- ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি

কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে ১৯৮৭ সালে যাত্রা শুরু করে রাজশাহীর কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির সব শাখায় কম্পিউটার ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০০৯ সালে। ৫ বছরে এই কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় লেগেছে ৯ বছর। তবে এখনো অনলাইন সেবার আওতায় আসেনি ব্যাংকটি। লেনদেনের জন্য কোনো অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথ না থাকায় টাকা উত্তোলনেও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে গ্রাহকদের। পাশাপাশি অন্য ব্যাংকের সাথে এই ব্যাংকের লেনদেনে করতে গেলেও সময় লাগছে বেশি।

গ্রাহকরা দাবি করেন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে টাকা গণনার মেশিন এবং অনলাইন ব্যবস্থা কিছুই নেই। ব্যাংকটির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি স্বীকার করে বলছেন, অনলাইন কার্যক্রম না থাকায় প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রাহকেরা।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মাহফুজুল হক বলেন, অনলাইন সেবা চালু হলে আমরা অনেক লাভবান হবো। কারণ অনলাইন ব্যবস্থা চালু না থাকায় যে গ্রাহকেরা এই ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসায় করছে তারা ঢাকাতে যেয়ে পণ্য বিক্রি করে সেই টাকা অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক রুস্তম আলী আহমেদ বলেন, চলতি বছর ব্যাংকের সবগুলো শাখায় কম্পিউটার দেওয়া শেষ হয়েছে। আর যারা কম্পিউটারে কাজ করার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত তারাই ভাল বোঝে অনলাইন সংক্রান্ত বিষয়গুলো। তাই তাদের কাছ থেকে পরিসেবা না নিয়ে নতুন করে টেন্ডারে যাওয়া ঠিক হবে কি হবে না সেটা নিয়ে একটু সমস্যা চলছে।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি আগামী বছরের মধ্যে পুরো ব্যাংকিং কার্যক্রম অনলাইন সেবার আওতায় চলে আসবে। অনলাইন কার্যক্রম শুরু করার প্রক্রিয়া চলছে পাশাপাশি যে জটিলতাগুলো আছে সেগুলোও কেটে যাবে।

উল্লেক্ষ্য যে, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কার্যক্রম পরিচালনা করে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকটি। বর্তমানে ব্যাংকটির শাখা রয়েছে ৩৭৯টি। এর মধ্যে শহরে আছে ৫০টি এবং বাকি ৩২৯টি পল্লী শাখা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ