প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিনে কেক কাটলেন খালেদা জিয়া

মাঈন উদ্দিন আরিফ: বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও পুত্র তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন আজ (সোমবার/২০ নভেম্বর)। জন্মদিন উপলক্ষে দলের শীর্ষ  নেতাদের নিয়ে কেক কেটেছেন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে জন্মদিনের কেক কেটে করতালি ও ‘হ্যাপি বার্থ ডে’  স্লোগান দিয়ে তারেক জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান তারা।

এর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন খালেদা জিয়া। একে একে দলের সকল নেতাদের নিয়ে কেক কাটায় অংশ নেন তিনি। কেক কাটার পর ছেলে তারেক রহমানকে ফোনের মাধ্যে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান মা খালেদা জিয়া।

ফোনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘তোমার জন্মদিনে তোমাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। জন্মদিনে অনেকগুলো কেক কাটলাম। সবাই আসছে। সবাইর সাথে কথা বল।’

এর পরেই কথা বলেন খালেদা জিয়ার পাশে থাকা দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘ভাই কেমন আছেন? আপনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনি ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। আর আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

এর পরেই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহম্মদ, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, গণসাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ, যুগ্ম মহাসচিব মাহাবুদ্দিন খোকন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ কথা বলেন তারেক রহমানের সাথে।

ফোনে মোশাররফ হোসেন তারেককে বলেন, ‘কেমন আছ? তোমার জন্মদিনে তোমাকে শুভেচ্ছা। আমরা বিশ্বাস করি তুমি বাংলাদেশে ফিরে এসে জাতীয়তাবাদী শক্তির হাল ধরবা।’

এর পর মওদুদ আহম্মদের নাতে ফোন গেলে তিনি সালাম দিয়ে বলেন, ‘কেমন আছেন? আপনার জন্মদিন পালন করছি আমরা। আপনার জন্মদিনের হাজার হাজার লাখ লাখ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি তো আপনাকে তুমি করে বলতাম বলেই হেশে দিলে মওমুদ।’

এর পরেই কথা বলেন আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন, ‘আমি আবদুল্লাহ আল নোমান বলছি। আমরা আপনার জন্মদিন পালন করছি। কিন্তু আপনি নেই। তবে আশা করছি খুব শিগগিরই আপনি আমাদের কাছে আসবেন। আপনার জন্য দোয়া করি আপনি সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন।’

তার পরে কথা বলেন বিএনপি পন্থী বুদ্ধিজীবী ড. জাফরুল্লাহ। তিনি বলেন, তারেক, তারেক আমি জাফরুল্লাহ বলছি। জন্মদিনে তোমাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এ্রর পরেই তারেক রহমানকে পরামর্শ দেন জাফরুল্লাহ। তিনি বলেন, তারেক তোমাক সপ্তাহে দু’দিন বের হতে হবে। না হলে হবে না। এ কথা বলার পরই হেশে দেন খালেদা জিয়া।’

পর-পরই কথা বলেন, মাহাবুদ্দিন খোকন। তিনি বলেন, সালাম দিয়েই তিনি বলেন, ভাই আমি মাহাবুদ্দিন খোকন বলছি, আপনার জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। আপনি ভালো থাকবেন।

এর পর কথা বলেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, কেমন আছেন? আপনার জন্মদিনে আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

এর পরেই কথা বলতে দেওয়া হয় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ড.মাহাবুল্লাহকে।

সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাহিরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীদের দোতালার বারান্দা থেকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান খালেদা জিয়া। এসময় তারে তারেক রহমানের জন্মদিনের বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন নেতাকর্মীরা।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতৃ্বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া উপস্থি ছিলেন অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক সদরুল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও।

দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াসউদ্দিন কাদের চোধুরী শওকত মাহমুদ, জয়নাল আবেদীন, আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, রুহুল কবির রিজভী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরফত আলী সপু, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির অঙ্গসংগঠনের মধ্যে মহানগর দক্ষিণের হাবিব উন নবী খান সোহেল, কাজী আবুল বাশার, উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, আহসানউল্লাহ হাসান, যুব দলের সাইফুল ইসলাম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, ছাত্র দলের রাজিব আহসান, আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই দিকে তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে গুলশান খালেদা জিয়ার কাযালয়কে সাজানো হয় বিভিন্ন লাইটিংয়ের মাধ্যমে। প্রদর্শিত করা হয় তারেক রহমানের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন প্রামাণ্য চিত্র। বাজানো হয় তাকে নিয়ে বিভিন্ন গান।

আনিস/

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত