প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যক্তির অধীনে নয়, সাংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে

জাফর আহমদ: কোনো ব্যক্তির অধীনে নয়, সাংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, রাষ্ট্র চলে সংবিধানের ভিত্তিতে এবং সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচালের নামে সাংবিধানিক শূণ্যতা সৃষ্টির মাধ্যমে অপশক্তিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের সুযোগ করে দেয়ার অপচেষ্টা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় তা মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। আবার বাংলাদেশে সাংবিধানিক শূণ্যতার সুযোগ নিয়ে কোনো অপশক্তি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসুক, তা জনগণ হতে দেবে না।

রোববার শিল্পমন্ত্রী রাজধানীর আইডিইবি ভবনে “সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ও এসডিজি অর্জনে দক্ষতা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী কমরেড দিলীপ বড়–য়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, আইডিইবি’র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পঞ্চাশের দশকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ এমডিজি লক্ষ্য অর্জনে এশিয়ার অন্য দেশগুলো থেকে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ অনেক আর্থসামাজিক সূচকে প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। এক সময় সাত কোটি জনসংখ্যা নিয়ে খাদ্য ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে দেশে কানো খাদ্যাভাব নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা হচ্ছেন শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। দেশে বর্তমানে কারিগরি জনবলের পরিমাণ শতকরা মাত্র ১৪ ভাগ। উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এর পরিমাণ ৮০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মাণ এবং পৃথক মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট স্থাপন করেছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে পেশাগত দক্ষতা ও সুনামের সাথে কাজ করে যেতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে আইডিইবি’র নেতারা জানান, গণমানুষের প্রকৌশলী হিসেবে দেশের বিভিন্নখাতে প্রায় ৫ লাখ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নিরলসভাবে কাজ করছে। জাতীয় উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান থাকলেও তারা উপযুক্ত সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ