প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অফশোর কোম্পানিতে টাকা পাচারকারী ৩৫ বাংলাদেশি কারা?

ডেস্ক রিপোর্ট: অফশোর কোম্পানিগুলোতে বাংলাদেশের যারা টাকা বিনিয়োগ বা পাচার করেছেন, পানামা পেপারস ও প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে ৩৫ জন বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছে, তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে জাতীয় সংসদে। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে এ ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপও দাবি করা হয়েছে।

রোববার স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে এ দাবি জানিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসময় সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন।

রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, পানামা পেপারস ও প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারিতে যাদের নাম এসেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জাতীয় স্বার্থে প্রকাশ করা উচিত। এর আগে পানামা পেপারস এর তথ্য ফাঁস হওয়ার পর বাংলাদেশের কয়েকজনের নাম আসায় তদন্ত করে জানানো হবে বলে শুনেছিলাম। কিন্তু পরে সেটা আর হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সংসদে কথাও বলেছিলাম। তখন বলা হয়েছিলো, বিষয়টির ওপর একটি তদন্ত করে রিপোর্ট দেয়া হবে। ওই রিপোর্ট সম্পর্কে এখন পর্যন্ত আমরা কিছূ জানতে পারিনি।

পানামা পেপারসে নাম ছিলো মোট ১৪ জন বাংলাদেশির। এবার প্যারাডাইস পেপারস কেলেংকারির কথা ফাঁস হওয়ার পর এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হচ্ছে। সেখানে ২১ জনের নাম এসেছে। ওই তালিকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ আরও অনেকেরই নাম উঠে এসেছে। কিছূ প্রতিষ্ঠানের নামও আমরা জানতে পেরেছি। কারা সেখানে টাকা পাঠিয়েছেন, কে কতো টাকা বিনিয়োগ করেছেন কেন বিনিয়োগ করেছেন, এসব বিস্তারিত জানতে চাই। তাছাড়া দেশের বাইরে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম কানুন মানার ব্যাপার আছে। এক্ষেত্রে কি হয়েছে, কিভাবে কি হয়েছে তা আমরা জানতে চাই।

ওইসব টাকা কি কালো, নাকি সাদা ছিলো, কিংবা কেন এই টাকা বিদেশে পাচার করা হলো তা আমরা জানতে চাই। আমাদের তা জানতে হবে। জাতি এসব জানতে চায়। জনগণকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে। ওইসব পেপারস কেলেংকারির সঙ্গে কানাডা,আমেরিকাসহ আর বড় বড় দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের মতো ছোট দেশের। বাংলানিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ