প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিশোরগঞ্জে বাড়ীতে দূর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী): নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পাইকারটারীতে রাতের অন্ধকারে বসত বাড়ীতে আগুন দিয়ে পালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। এতে ৬টি পরিবারের প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুরে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখা দেখে বাড়ীর মালিক জাহাঙ্গীর আলমের চিৎকার শুনে দেখি আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে। তাদের ধারণা পূর্ব শত্রতার জের ধরে ঘুমন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারতে রাতের আধারে বাড়ীতে আগুন দিয়েছে দূর্বৃত্তরা। এতে রহিমুদ্দিনের গরু ২টি,মোবারক হোসেনের ছেলে মমিনুর রহমানের ও মাহফুজার রহমানের ১শ জোড়া কবুতর,লিমন মিয়ার ১টি ছাগল,জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সাইফুল ইসলামের এবং রব্বানি মিয়ার ঘরে থাকা ধান চাল টাকাসহ প্রায় ১০লক্ষাধিক টাকার মালামাল পূড়ে ছাই হয়ে গেছে।

খবর পেয়ে সকাল ৭টার সময় বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার পরিদর্শন শেষে তার ব্যক্তিগত কোষাগার থেকে ৬পরিবারের মধ্যে ১০০ কেজি চাল বিতরণ করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত জাহাঙ্গীর আলম বলেন,আমার পরিবারের লোকজনকে আগুনে পুড়িয়ে মারতে পরিকল্পিত ভাবে এ আগুন লাগিয়েছে। এ আগুন কোন বিদ্যুতের আগুন নয়।

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান বলেন,গভীর রাতে কে বা কারা বড়ভিটা পাইকার টারীর রহিমুদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের শয়ন ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। আগুনের তাপে ঘুমন্ত মানুষের ঘুম ভেঙ্গে গেলে তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে। পরে কিশোরগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও জলঢাকা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তারা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে ৬ পরিবারের ১০টি থাকা ঘর ও ৩টি গোয়াল ঘর পুরে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমান ১০ লক্ষাধিক বলে ধারণা করছেন ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমি শুনেছি তাদের বিদ্যুতের সকল তার ঠিক ছিল। বিদ্যুতের তার থেকে এ আগুনের ঘটনা ঘটেনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ