প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশ-ভারত প্রথম কনস্যুলার সংলাপ রোববার

মাছুম বিল্লাহ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম কনস্যুলার সংলাপ আজ রোববার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়দের এবং ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার দ্বিপক্ষীয় ফোরাম হিসেবে উভয় দেশ উচ্চপর্যায়ে নিয়মিত এই সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই সংলাপে ভারতে সাজাপ্রাপ্ত দু’জন নিরীহ বাংলাদেশিকে ফেরত আনার বিষয়টি এই জোরালোভাবে তুলবে সরকার।

এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় ও কনস্যুলার) কামরুল আহসান, ভারতের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (কনস্যুলার, ভিসা, পাসপোর্ট) ডি এম মুলায়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাদল ফারাজি ও আলমগীর নামের দু’জন বাংলাদেশি কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর ভিন্ন দু’টি মামলায় ফেঁসে যায়। এরমধ্যে বাদল ফারাজির যাবজ্জীবন ও আলমগীরের মৃত্যুদ-ের আদেশ দেন দেশটির আদালত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের নিরাপরাধের বিষয়টি নিশ্চিত। বিশেষ করে আলমগীরের বিষয়ে। কারণ যে খুনের কারণে তাকে মৃত্যুদ-াদশে দেওয়া হয়েছে, সেই খুনের ঘটনার সময় তিনি বাংলাদেশে ছিলেন।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা কনস্যুলার সংলাপে বিষয়টি তুলব। এই দু’জনকে নিরপরাধ প্রমাণে ভারত আমাদের কিভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটি আলোচনা করব।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই দুই বাংলাদেশির বিশেষ করে আলমগীরের ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত যে তিনি দোষী নন। কারণ যে খুনের ঘটনায় তাঁকে মৃত্যুদ-াদেশ দেওয়া হয়েছে সেই খুনের সময় তিনি বাংলাদেশে ছিলেন। আদালতে সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তিদের নিরপরাধ প্রমাণে ভারত কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

জানা গেছে, ভারতের কারাগারে বন্দি বাংলাদেশের কয়েকজন দাগি আসামিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সংলাপে আলোচনা হবে। সাজ্জাদ, সুব্রত বাইন ও শাহাদাত নামের তিন সন্ত্রাসী বর্তমানে ভারতের কারাগারে আছে। প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় তাঁদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রত্যাবাসন চুক্তির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার আসামি নুর হোসেনকে বাংলাদেশ ফেরত পেয়েছিল।’

কোনও বাংলাদেশি ভারতে জেল খাটার পরে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে ভারত। এর কারণ হচ্ছে, ওই বাংলাদেশি জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি অর্থ খরচ হয়। এ জন্য লোকবল প্রয়োজন।

এই প্রসঙ্গে সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি একটি মাঠপর্যায়ের সমস্যা। কারণ এ বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হবে।’

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ