প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্কুলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার যেন বেড়েই চলেছে

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : দিনাজপুরে জেএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির হার যেন বেড়েই চলেছে। আর এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। আর এর প্রধান কারণ বাল্যবিবাহ। এ জন্যই নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দিন দিন এতো কমে যাচ্ছে। এর কারণ হিসাবে অস্বচ্ছলতা ও অসচেতনতাকেও দায়ী করা হয়। সূত্র- একাত্তর টিভি

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য মতে, এ বছর জেএসসি পরীক্ষায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। যেটা আগের তুলনায় বেড়েছে আরও ২শ’।বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, দিন দিন শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি বেড়েই যাচ্ছে।

অবিভাবকেরা বলছেন, অর্থের অভাবে তারা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারেন না। আর তারা তাদের কন্যা সন্তানদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও অনেক বেশি চিন্তিত। এইজন্যই তারা তাদের কন্যা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে বেশি ভয় পায়।

বেশির ভাগ সময়ই অবিভাবকরা তাদের সন্তানদের লুকিয়ে বিয়ে দিয়ে থাকে। আর যে কারণে এই বাল্যবিবাহ বন্ধ করা যাচ্ছে না।

দিনাজপুর কলেজিয়েট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ ও অসুস্থতার কারণে এই শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

দিনাজপুরের সোসাইটি ফর উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক উম্মে নাহার বলেন, শিক্ষার্থীরা যখন উপরের ক্লাসগুলোতে উঠছে তখন তাদের কোচিং ও প্রাইভেটে পড়ার যে টাকা প্রয়োজন তাদের দেওয়ার সে ক্ষমতা থাকছে না। আর স্কুল গুলোতেও পড়ার সেই সুব্যবস্থা না থাকায় সেই শিক্ষার্থীগুলো ঝরে পড়ছে। তাছাড়া দিনাজপুরের গ্রামগুলোতে বাল্যবিবাহ তুলনামূলকভাবেও একটু বেশি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ