প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তায়কোয়ান্ডো আর তায়কোয়নদো -
বিভ্রান্তি দূর করলেন মাষ্টার সোলায়মান

এল আর বাদল : ওয়ার্ল্ড তায়কোয়ান্ডো ফেডারেশ (ডব্লিউ টি এফ) ও ইন্টারন্যাশনাল তায়কোয়নদো ফেডারেশন (আই টি এফ)। দুটোই দক্ষিণ কোরিয়ার খেলাধুলার ইভেন্ট। বাংলাদেশে দুটি খেলাই প্রচলিত। ‘ডব্লিউ টি এফ’ এর পরিচালনায় আছেন মাহমুদুল ইসলাম রানা আর ‘আই টি এফ’ এর পরিচালনা করছেন মাষ্টার সোলায়মান সিকদার। এই দুই ইভেন্টের নাম প্রায় এক হওয়ায় মিডিয়ায় প্রচারিত সংবাদও অনেক সময় সঠিক হয় না। ক্রীড়ামোদিরাও দুটি ইভেন্টকে একটি মনে করেন। নামের বানান আর কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করলেন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার সোলায়মান সিকদার।

মাহমুদুল ইসলাম রানা ও সোলায়মান একই সঙ্গে ১৯৯৬ সালে ঢাকায় প্রথমে বাংলাদেশ ‘তায়কোয়ান্ডো ইউনিয়ন নামে’ স্পোর্টস সংগঠনের যাত্র শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে তারা ফেডারেশন গঠনের অনুমোতি লাভ করে। এক বছর পর আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্ডোর সদস্য পদও পেয়ে যায় তারা। প

রবর্তীতে এক সঙ্গে থাকা হল না রানা ও সোলায়মানের। মাষ্টার হাত বাড়ালেন ইন্টারন্যাশনাল তায়কোয়নদো ফেডারেশনের (আ্ই টি এফ) দিকে। ২০১২ সালে গঠন করে ফেললেন ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন। ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মাষ্টার সোলায়মানকে এই সংগঠনের অনুমোতি দেয়। তখন থেকে শুরু সোলায়মানের তায়কোয়নদোর অভিযান, যা এখনও চলছে। ‘আই টি এফ’ নিয়ে কাজ করে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ায় তায়কোয়নদো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে একটি ব্রোঞ্জ পদক জয় করে। সংগঠন সৃষ্টির পর থেকে নিজ উদ্যোগে প্রতি বছর জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে সব ধরনের টুর্নমেন্ট আয়োজন করে থাকেন মাষ্টার সোলায়মান।

যার ফলে ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদও যার পরনাই খুশি ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক তায়কোয়নদো অ্যাসোসিয়েশন’ এর উপর। ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে এবার ফেডারেশন হিসাবে অনুমোদন পাবার অপেক্ষায় অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। আগামী বছর (২০১৮) বাংলাদেশ আন্তর্জাতি তায়কোয়নদো ফেডারেশন হিসাবে এনএসসির কাছ থেকে অনুমোদন পাবেন বলে মনে করে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মাষ্টার সোলায়মান সিকদার।