প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জিম্বাবুয়ের সেনা অভ্যুত্থানের পেছনে চীন

মাইকেল : আফ্রিকার জিম্বাবুয়ের সামরিক অভ্যুত্থানের পিছনে চীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন। জিম্বাবুয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল কনস্টেনটিনো চুইঙ্গা গত সপ্তাহের চীনা সফরে যান। সেখানে বেশ কয়েকজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন। চীন থেকে ফিরেই তিনি দেশের সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করেন ।

চীন থেকে ফেরার পর গতকাল (শুক্রবার) আকস্মিক জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট্ মুগাবেকে সামরিক বাহিনী গৃহবন্দি করে। বিশ্বে জীবিত প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সবথেকে বেশিদিন ক্ষমতায় রয়েছেন মুগাবে। এখন তিনি রাজধানী হারারেতে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে গৃহবন্দি। তবে ঘটনাটিকে অভ্যুত্থান বলতে নারাজ দেশটির সেনাবাহিনী। মুগাবের চারপাশে থাকা ‘অপরাধীদের’ উৎখাত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।

এদিকে চীনা সরকার সেনাবাহিনীকে গ্রীন সিগন্যাল দিয়ে থাকতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহল আশঙ্কা করছে। এর কারণ হিসেবে তারা বলছে, দেশটিতে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে । জিম্বাবুয়ের কৃষি, বিদ্যুত এবং নির্মাণখাতে দেশটির বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট মুগাবেকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য ক্রমাগতভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। সিএনএন এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সেনাবাহিনী চাইছে ৯৩ বছরের মুগাবে যেন নীরবে পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সামর্থ্য সম্পন্ন কারও কাছে রক্তপাতহীন ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।  মুগাবে বা তার ৫১ বছরের স্ত্রী গ্রেস এখনও ক্ষমতা ছাড়তে রাজি হননি।

উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চীন সরাসরি দেশটিতে প্রচুর অস্ত্র ও অর্থ দিয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক বর্তমান প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেও চীনের সঙ্গে মিত্রতা বজায় রেখে চলছিল। ২০০২ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র জিম্বাবুয়ের ওপর অবরোধ আরোপ করতে চাইছিল। চীন তখন ১০০টির বেশি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। সূত্র : সিএনএন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ