প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্রেফতারির কথা প্রত্যাখান করলেন সা’দ হারিরী

সাইদুর রহমান : লেবাননের প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউন সাদ হারিরীকে সৌদি আরব আটকে রাখার কথা বলেছিলেন। তার এ দাবি প্রত্যাখান করেছেন সা’দ হারিরী নিজেই। তিনি বলেন, তিনি ভালো আছেন, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক অচিরেই দুই একদিনের মধ্যে লেবাননে ফিরে আসবেন। তিনি বন্দি নন।

হারিরী তার টুইটার একাউন্টে বলেন, আমি জোর দিয়ে বলছি, আমি হাজারও কল্যাণের মধ্যে আছি, ভালো আছি, আমি অচিরেই প্রিয় লেবাননে ফিরে আসবো। তবে পরিবার রিয়াদেই থাকবে। খবর আল-আরাবিয়্যাহ ,আল-জাজিরা , খালিজ অনলাইন

এর আগে প্রেসিডেন্ট আওন ঘোষণা দেন, হারিরীকে আটকে রাখা স্পষ্টতই লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন। আমরা তাকে ফিরিয়ে আনতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, ১২ দিনেও হারিরি নিজ দেশে ফিরতে পারেননি। এটাকে ন্যায্যতা দেওয়ার কিছু নেই। ফলে আমরা তাকে আটক হিসেবেই বিবেচনা করছি। এটা ভিয়েনা চুক্তি এবং মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন। লেবাননের সার্বভৌমত্তের প্রতি আঘাত।

প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, আমরা দীর্ঘ অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে পারি না। একটা দেশের কার্যক্রম বন্ধ থাকতে পারে না।

আউন আরো বলেন, হারিরি দেশে ফিরে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র দেওয়া না পর্যন্ত তিনি তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। কারণ তিনি যে পরিস্থিতিতে রয়েছেন,ওই অবস্থায় দেওয়া বক্তব্য সরকার গ্রহণ করতে পারে না।
এছাড়া লেবাননের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরব হারিরীর সঙ্গে যা করেছে সেটা আন্তর্জাতিক চুক্তি ও প্রচলিত নিয়মের লঙ্ঘন।

সা’দ হারিরী আকস্মিক সৌদি আরব সফরে গিয়ে গত ৪ নভেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ইরান সমর্থিত দল শিয়াপন্থী সংগঠন হিজবুল্লাহকে দায়ী করেন তিনি। হারিরি বলেছিলেন, খুন হওয়ার ভয়েই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে বিশ্লেষকদের দাবি, সৌদি আরবের চাপেই পদত্যাগ করেছেন তাদের মিত্র হারিরি। হিজবুল্লাহর মুখোমুখি হতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ‘সরিয়ে দিয়েছে’ সৌদি কর্তৃপক্ষ।

গতকাল মঙ্গলবার লেবাননের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান কারডেনাল বেশার সৌদি আরব সফর করেন। এসময় তিনি সা’দ হারিরীর সাথে সাক্ষাত করেন। পাশাপাশি বাদশাহ সালমান এবং যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের সাথেও সাক্ষাত করেন এবং এ সঙ্কট উত্তোরণের জন্য আলোচনা করেন। সূত্র : আল-আরাবিয়্যাহ ,আল-জাজিরা , খালিজ অনলাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত