প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিআইপি কার্ড পেলেন ১৬৪ ব্যবসায়ী

ডেস্ক রিপোর্ট : রফতানি বাণিজ্যে বিশেষ অবদান এবং বাণিজ্য সংগঠনে নেতৃত্বে থাকা ১৬৪ জন ব্যবসায়ীকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি মনোনীত করেছে সরকার। রবিবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ নির্বাচিতদের হাতে এ কার্ড তুলে দেন। ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে অবদানের জন্য তাদের এই কার্ড দেওয়া হয়। ওই বছর ১৬টি পণ্যখাতে ১৩১ জন রফতানিকারক এবং পদাধিকারবলে ৩৩ জন ব্যবসায়ী নেতাকে সিআইপি নির্বাচিত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সিআইপিরা হলেন–এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন,এ. কে. আজাদ ও কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, ইউনিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রানা শফিউল্লাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল কবির,  বিকেএমইএর সভাপতি সেলিম ওসমান, ইএবির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও আতিকুল ইসলাম, স্কয়ার কনজুমার প্রডাক্টসের এমডি অঞ্জন চৌধুরী, স্কয়ার ফ্যাশনের চেয়ারম্যান স্যামুয়েল এস চৌধুরী প্রমুখ।

কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। অনুষ্ঠানে সিআইপিদের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম, এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু বক্তব্য রাখেন।

গত ১৭ অক্টোর প্রকাশিত সরকারি গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, সিআইপি হিসেবে নির্বাচিত ব্যবসায়ীরা সচিবালয়ে প্রবেশে পাস, গাড়ির স্টিকার, জাতীয় অনুষ্ঠান ও সিটি করপোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। বিমান, সড়ক, রেল ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে তারা অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়া, ব্যবসাসংক্রান্ত কাজে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন পাবেন। সিআইপি এবং তাদের ছেলেমেয়ে, স্ত্রী সরকারি হাসপাতালে কেবিন পেতে অগ্রাধিকার, বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার করতে পারবেন।

সিআইপি নীতিমালা-২০১৩ অনুসারে ইপিবির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে প্রাথমিক কমিটি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের (রফতানি) নেতৃত্বে চূড়ান্ত কমিটি সিআইপি নির্বাচন করে। সিআইপি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের রফতানি আয়, নতুন পণ্য রফতানি, নতুন বাজারে প্রবেশ বিবেচনা করা হয়। এছাড়া, রফতানি বাণিজ্যে রফতানিকারকদের বাণিজ্য বিরোধ সংশ্লিষ্টতা, ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধ এবং ঋণ- লেনদেন অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।

এফবিসিসিআইয়ের ২০১৪ সালের পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যকে সিআইপি কার্ড দেওয়া হয়েছে। তৈরি পোশাক, ওভেন ও নিট পোশাক, কাঁচা পাটপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, কৃষিজাত পণ্য, ওষুধশিল্প খাত, সিরামিক, প্লাস্টিক পণ্য, কম্পিউটার সফটওয়্যার, সেবা ও ডাটা প্রসেসিংসহ বিভিন্ন খাতে রফতানিতে অবদানের জন্য সিআইপি কার্ড দেওয়া হয়।

ওভেন ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, আবদুস সালাম মুর্শেদী, আতিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, শরীফ জহীর, আরশাদ জামাল, আলী আজিম খান, মুজিবুর রহমান, মেজবাহউদ্দিন খান, আজিজুল ইসলাম, মহিদুল ইসলাম খান, কাজী এ এফ এম জয়নুল আবেদিন, ফেরদৌস পারভেজ বিভন, ইতেমাদ উদ দৌলাহ, ওয়াসিম রহমান, এলিগেন্ট গ্রুপের তানভীর আহমেদ ও কসমোপলিটন ইন্ডাস্ট্রিজের তানভীর আহমেদ।

নিট ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন গোলাম মোস্তফা, স্যামুয়েল এস চৌধুরী, নাফিস সিকদার, গাওহার সিরাজ জামিল, মাসুদুজ্জামান, অমল পোদ্দার, নাজীম উদ্দিন আহমেদ, শামসুজ্জামান, আসাদুল ইসলাম, মহিউদ্দিন ফারুকী, নাবিল উদ দৌলাহ, জয়নাল আবেদীন মোল্লা, রিয়াজ উদ্দন আল মামুন, আসিফ আশরাফ, আসিফ মঈন, আবদুস সোবহান, আবদুল কাদির মোল্লা, আসিফ ইব্রাহিম, মশিউর রহমান চমক, এম এ সবুর, এফ এম কবির মহিউদ্দিন, নাসির উদ্দিন, প্রীতি পোদ্দার, সাফিনা রহমান, নুরুল আলম চৌধুরী ও অঞ্জন শেখর দাশ, শেখ এইচ এম মোস্তাফিজ, রানা শফিউল্লাহ, রাকিবুল কবির, এম ডি এম জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুল জব্বার, খলিলুর রহমান, সুলতানা জাহান, শাহরিয়ার আহমেদ, এ বি এম সামসুদ্দিন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম খান এবং বস্ত্র খাতে কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ জাবের ও আবদুল্লাহ মোহাম্মদ জুবায়ের।

কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, প্রাণ অ্যাগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, মোহাম্মদ মনসুর, গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, গকুল চন্দ্র সাহা, শেখ আবদুল কাদের, রফিকুল ইসলাম (লিটন) ও আবদুল মোতালেব। সূত্র : বাংলাট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ