প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পার্বতীপুরে বীজের কৃত্রিম সংকট, ৫শ টাকার ধান বীজ ৭শ টাকায় বিক্রি

সোহেল সানী, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা বীজ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে বোরো বীজ না পেয়ে কৃষকেরা হতাশ হয়ে বাড়ী ফিরছে। এক শ্রেনির অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএডিসি’র ১০ কেজি ওজনের বীজের বস্তা ৫শ’ টাকা মূল্যে বিক্রি করার নিয়ম থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা মূল্যে বীজের বস্তা বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ৭শ’ মেট্রিক টন বোরো বীজের বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে ১ নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র ১৮ মেট্রিক টন বীজ সরবরাহ করার পর থেকে বীজ দেয়া বন্ধ করে দেয় বিএডিসি বীজ উৎপাদন কর্তৃপক্ষ।
দিনাজপুরের উপ-পরিচালকের মৌখিক নির্দেশে আমি ১ নভেম্বর থেকে দায়িত্বে থাকা বিএডিসি (অবসরপ্রাপ্ত) কর্মচারী মমিজুল ইসলাম বলেন, তিনি ছুটিতে গেছেন। আমাকে ৯ মেট্রিক টন বিআর-১৬ ও ৯ মেট্রিক টন বিআর-২৮ ধানের বীজ বিক্রি করার জন্য দিয়েছে। সরকারি মূল্যে প্রতি বস্তা বিআর-২৮ বীজ (১০ কেজি) ৫শ’ টাকা হারে বিক্রি করা হয়েছে। বিআর-১৬ বীজ শেষ হয়েছে। তবে কৃষকদের কোন ক্যাশ মেমো দিতে পারছি না, কারন মেমো দেয়ার ক্ষমতা আমার নাই। এসময় মন্মথপুর ইউনিয়নের তাজনগর চড়ক ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন, বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের ডোলগাড়ী গ্রামের জগদীস রায়সহ আরো অনেক কৃষক বোরো বীজ না পেয়ে ফিরে যান।
এব্যাপারে পার্বতীুপর উপজেলা কৃষি অফিসার আবু ফাত্তাহ মোঃ রওশন কবির বলেন, বিএডিসি বীজ বেশী দামে বিক্রি হওয়ার কথা নয়, কোথায় বেশীদামে বিক্রি হচ্ছে তাঁকে জানানো হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া বলে তিনি জানান।

দিনাজপুরের উপ-পরিচালক (বীজ বিপনন) ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, লোকবল সংকটের কারনে বাধ্য হয়ে (সদ্য অবসরপ্রাপ্ত) মমিজুল ইসলামকে সরকারি দায়িত্ব দিয়ে অফিসে বীজ বিক্রি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সম্পদনা: মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ