প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুলনা টাইটানসের সংগ্রহ ১৭০

এম এ রাশেদ: ঢাকা পর্বে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল খুলনা টাইটানস। শুরুটা আহামরি না হলেও মিডল অর্ডারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৭০ রানের পুঁজি পেয়েছে খুলনা টাইটানস। অথচ শুরুর ব্যর্থতায় কোনঠাসা হয়ে গিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। সেই বিপর্যয় থেকে দলকে উতরে যেতে সহায়তা করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপর শেষ দিকে কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ও আরিফুল হকের ১৮ বলে অর্ধশত রানের ঝড়ো জুটিতে ১৭১ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় খুলনা।

অবশ্য শুরুতে প্রথম ওভারেই হতাশায় শুরু করেছিল খুলনা। সানজামুলের বলে মেরে খেলেছিলেন চ্যাডউইক। কিন্তু মিড উইকেটে আগেই দাঁড়িয়ে থাকা সৌম্য সরকারের হাতে তালুবন্দী হয়ে ফিরে যান এই তারকা। একটি চারে ওয়ালটন বিদায় নেন ৫ রানে।

এরপর তৃতীয় ওভারেও ব্যর্থতা ধরা দেয় খুলনার ব্যাটিং লাইন আপে। আবারও আঘাত হানেন সানজামুল। ২.৩ ওভারে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন ক্লিঙ্গার। তিনি ফেরেন ২ রানে। এরমাঝেই অপরপ্রান্ত আগলে রেখে থিতু হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। ৯ রানে ব্যাট করতে থাকা এই তারকাকেও থিতু হতে দেননি শ্রীলঙ্কার দিলশান মুনাবিরা। একেবারে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাজঘরে।

তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা খুলনাকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ ও রাইলি রোসো। যদিও ধীরে ধীরে খেলছিলেন দুজন। পোক্ত হওয়ার দিকে থাকা এই জুটিকে দলীয় ৯.৫ ওভারে ভেঙে দেন পেসার তাসকিন। তাসকিনকে উড়িয়ে মেরেছিলেন রোসো। ডিপ স্কোয়ার লেগে সৌম্য সরকারের হাতে তিনি ধরা পড়েন ২৫ রানে। তবে অপর প্রান্ত ধরে খেলতে থাকেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিছু দর্শনীয় বাউন্ডারি মেরে রানের চাকা সচল রাখেন। তবে ব্যক্তিগত ৪০ রানে তাকে এনামুল হকের ক্যাচ বানান পেসার তাসকিন আহমেদ। মাহমুদউল্লাহর ৩৩ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়।

অধিনায়ক বিদায় নিলে আরও আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকেন আরিফুল হক ও কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে ৩০ রান করলেও শুভাশিষের বলে ফেরেন ব্র্যাথওয়েট। যাতে ছিল ২টি চার ও ৩টি ছয়। আরিফুল হক ছিলেন আরও আক্রমণাত্মক। ২৫ বলে বিদায় নেন ৪০ রানে। যাতে ছিল ৪টি ছয় ও ১টি চার।

চিটাগংয়ের পক্ষে ৪ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে একাই ৩ উইকেট নেন তাসকিন। দুটি নেন সানজামুল ও একটি করে নেন মুনাবিরা ও শুভাশিষ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত