প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পিরিয়ডের সময় ধর্মে-কর্মে যা নিষিদ্ধ নারীদের

ওমর শাহ : নারীদের হায়েজ ও নেফাসকেই ইংরেজিতে পিরিয়ড বলে। পিরিয়ড নারীদের প্রাকৃতিক নিয়মধারা। এ সময় ইসলাম ধর্মে নারীদের অনেক কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিচে এসব বিষয় উল্লেখ করা হলো,

নারীরা হায়েজ অথবা নেফাস চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করিতে পারিবে না। কোরআন শরীফ বা তাঁর কোনও আয়াত স্পর্শ বা মুখস্ত পড়তে পারবে না। তবে কোরআন শরীফ গেলাফে জড়ানো থাকলে গেলাফের উপর দিয়ে স্পর্শ করা যাবে। অনেকে নাপাক অবস্থায় পরনের শাড়ি দোপাট্রা বা কামিজের আচল দ্বারা কোরআন শরীফ স্পর্শ করে। ইহাও সঠিক নয়। পরিধানের কাপড় ছাড়া আলাদা কোন পাক কাপরের সাহায্যে স্পর্শ করলে জায়েয হবে।

যে নারী ছাত্র ছাত্রীদের কোরআন শরীফ পড়ান নিজের হায়েজ নেফাসের অবস্থায়ও যদি তার পড়াতে হয় তবে শুধু বানান পড়াবেন, মতন পড়াবেন না। আর যদি মতনও পড়াতে হয় তবে প্রত্যেক আয়াতকে আলাদা আলাদা অংশ করে দুই এক শব্দের পরপর নিঃশ্বাস ছেড়ে পড়াবেন যেন প্রতিটি অংশ কোরআন শরীফের ক্ষুদ্রতম আয়াত অপেক্ষা ছোট থাকে। ছোট আয়াতের সমান হয়ে গেলে গুনাহগার হইবে।

কিন্তু আলহামদুলিল্লাহে সুরা কিংবা কোরআন শরীফে উল্লেখিত কোনো দোয়ার আয়াত যেমন রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও অথবা রাব্বানা জালামনা আনফুসানা ইত্যাদি দোয়ার নিয়তে পড়িলে গুনাহগার হবে না। তেলাওয়াতের নিয়তে পড়লে গুনাহগার হবে।

হায়েজ কিংবা নেফাসের সময়ে নামাজ রোজা কাবা শরীফের তাওয়াফ নিষিদ্ধ। হায়েজের সময়ে যে কয় ওয়াকতের নামাজ পড়তে না পারে পাক হওয়ার পর সেইগুলির কাজা করতে হবে না। কিন্তু রোজা মাফ নাই। রোজার কাজা কতে হবে।

হায়েজ নেফাসের কালে স্বামী স্ত্রীর সঙ্গম হারাম এবং এই সময়ে স্ত্রীর হাটু হইতে নাভী পর্যন্ত স্থানের প্রতি নযর দেওয়াও মাকরূহে তাহরিমী। হায়েজ কিংবা নেফাসের সময়ে হালাল করলে কবীরা গুনাহ হবে। তবে স্ত্রীর হাটু হতে নাভী পর্যন্ত ছাড়া শরীরের অন্যান্য অঙ্গ স্পর্শ করা একত্রে আহার করা ও একত্রে শয়ন করা জায়েয আছে।

স্ত্রীর নাপাক অবস্থায় স্ত্রী সঙ্গমের সুযোগ না পাওয়ায় যদি স্বামী যৌবনের উম্মাদনায় ও কামরিপুর তাড়নায় এমনই অস্থির হয়া পড়ে যে অন্যত্র পাপ করে ফেলতে পারে তবে স্ত্রীর রাণে ঘষিয়া অথবা তার দ্বারা হস্ত মৈথুন করাইয়া কামোত্তজনা দমন করতে পারবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ