প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিষয়ভিত্তিক কুরআন
কেয়ামতে বর্ণনা যেভাবে এসেছে

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম: পৃথিবীর অস্তিত্ব যেমন সত্য ঠিক তেমনই পৃথিবীর ধ্বংস ও অনিবার্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন, যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে-একটি মাত্র ফুৎকার, এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দেয়া হবে, সেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে (সূরা আল হাক্বক্বাহ-১৩, ১৪, ১৫

হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর। নিশ্চয় কিয়ামতের প্রকম্পণ এক ভয়ঙ্কর ব্যাপার। যেদিন তোমরা তা দেখবে সেদিন প্রত্যেক স্তন্য দানকারিণী আপন দুগ্ধপোষ্য শিশুকে ভুলে যাবে এবং প্রত্যেক গর্ভধারিণী তার গর্ভপাত করে ফেলবে, তুমি দেখবে মানুষকে মাতালের মত, অথচ তারা মাতাল নয়। তবে আল্লাহর আযাবই কঠিন। (সূরা হজ্জ:১-২)

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে। (সূরা আর রহমান-৩৭)

সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।(আল হাক্বক্বাহ-১৬)
সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে প্রবলভাবে।(আত্ব তূর-৯)

যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে, নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে, যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে।(আত-তাকভীর-১,২,৩)

যখন দৃষ্টি চমকে যাবে, চন্দ্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে। (ক্বেয়ামাহ-৭,৮,৯)

যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী। পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।(ওয়াক্বিয়া-৪,৫,৬)

যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে, যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।(যিলযাল-১,২)

আর যেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, সেদিন আসমানসমূহ ও যমীনে যারা আছে সবাই ভীত হবে; তবে আল্লাহ যাদেরকে চাইবেন তারা ছাড়া। আর সবাই তাঁর কাছে হীন অবস্থায় উপস্থিত হবে। (সূরা নমল-৮৭)

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত