প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গান হলো সবচেয়ে বড় মেডিসিন

ইমতিয়াজ মেহেদী হাসান: দিনের আলো দিগন্তে মিলিয়ে যেতেই জাতীয় জাদুঘরের সামনে নানাবয়সী মানুষের ভিড়। সবাই এসেছেন মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী লীনু বিল্লাহর একক সংগীত সন্ধ্যা উপভোগ করতে।
কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হল উপস্থাপনা। একে একে শিল্পীর কণ্ঠে ভেসে এলো ‘ও আমার বাংলা মা তোর আকুল করা রুপের সুধা, দূরের বন্ধু তুমি কাছে এসে কেন দাঁড়ালে, অন্তর আমার করলাম নোঙ্গর কোন সে বন্দরে, তুমি আজ দুলছো সুখের দোলায়, পিছু ডাকে স্মৃতি যে, এখনো স্মৃতিগুলো ডাক দিয়ে যায়, পাবো কিনা আমি তা জানিনা, দূরে গেলে যদি, গীতি কেমন আছো, যতদিন বেঁচে আছি, সানাইয়ের সুর কবে বেজে বেজে হয়ে গেছে শ্রান্ত, আমার নাটাই সুতা হাতে রইল, তরে লইয়া আমি’র মত জনপ্রিয় সব গান।
এরই মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে এসে উপস্থিত হলেন আলাউদ্দিন আলী, শেখ সাদী খান, আলম আরা মিনুর মত তারকারা। মৌসুমী বড়ুয়ার উপস্থাপনা ও সঙ্গীতাঙ্গনের আয়োজনে মোহিত হয়ে আগতরা কাটালেন এক মনোমুগ্ধকর সংগীতসন্ধ্যা, যা স্মৃতিপটে রবে অমলিন।
অনেকের মত লীনু বিল্লাহর গান শুনে মুগ্ধ হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অর্ণবও।
তিনি বলেন, চমৎকার একটি সন্ধ্যা কাটালাম। ছুটির দিনটিই সার্থক হয়ে গেছে। এমন আয়োজন প্রতি শুক্রবারেই হওয়া উচিত। শিল্পী ও আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ।
অনুষ্ঠান শেষে শিল্পী লীনু বলেন, গান হলো সবচেয়ে বড় মেডিসিন। মানুষের মন যখন খারাপ থাকে, তখন যদি কেউ গান শোনেন তবে তার মন ভালো হবেই, হতে বাধ্য। সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এ আয়োজনে শামিল হওয়ার জন্য।
অনুষ্ঠান আয়োজক এবং সঙ্গীতাঙ্গন’র প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক আহসানুল হক বলেন, আমরা প্রথমবারের মত এই আয়োজন করেছি। ভুলত্রুটি থাকতে পারে, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। তবে এতটুকু বলতে পারি, চেষ্টার কোন ঘাটতি রাখিনি।
তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে এত মানুষের উপস্থিতি হবে ভাবতেই পারিনি। অনেককেই দেখেছি দাঁড়িয়ে গান শুনতে। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ এভাবে আমাদের পাশে থাকার জন্য।
অনুষ্ঠান শেষে লীনু বিল্লাহকে সম্মাননা স্মারক ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ