প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ পোশাকখাত

আরিফুর রহমান তুহিন: লক্ষমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে পোশাকখাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এখাতে রপ্তানি কমেছে ৫ শতাংশ। যদিও একই সময়ে গেল বছরের তুলনায় এবারের প্রবৃদ্ধির ধারা অনেকটাই উর্ধ্বগতি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদনে এতথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ইপিবি জানায়, অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসের মোট রপ্তানির ৮২ শতাংশ অর্জিত হয়েছে তৈরি পোশাকখাত থেকে। গত অর্থবছরে যা ছিলো ৮০ শতাংশের কিছু বেশি। এই খাত থেকে মোট আয় হয়েছে ৯৪৩ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতে মোট লক্ষমাত্রা ৩ হাজার কোটি ডলার। সেই হিসেবে প্রথম ৪ মাসে ৫ শতাংশ রপ্তানি কম হয়েছে। তবে গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি ছিলো ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। অক্টোবরে এর পরিমাণ কমেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের এই খাত থেকে আয় হয়েছিলো ২ হাজার ৬ শত কোটি টাকার কিছু বেশি। প্রবৃদ্ধির পরিমাণও ছিলো অতীতের যেকোনো বছরের থেকে কম। তবে চলতি অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি অনেক বাড়বে বলে মনে করেন ব্যবায়ীরা।

বিজিএমইএ জানায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে সাধারণত কম রপ্তানি হয়ে থাকে। জানুয়ারি থেকে আগস্ট সবথেকে বেশি রপ্তানি হয়। সেই হিসেবে অক্টোবরে কম রপ্তানি হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আরো বাড়বে বলে মনে করেন তারা। রপ্তানিতে বছরের প্রথম কোয়াটারের ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছর শেষে লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।

ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, দেশের পোশাক শিল্প অনেক কিছু দেয়ার ক্ষমতা রাখে। বিশ্ববাজারে পোশাকের চাহিদা কমলেও বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রেখেছে। প্রধান প্রতিযোগী চীন পোশাকের বাজার ছেড়ে দিয়ে প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। আমাদের সামনে সুযোগ রয়েছে চীনের ক্রেতাদের ভাগিয়ে নেয়ার। এজন্য আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে। বিশেষকরে দক্ষ জনবল এবং প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া উন্নতমানের পণ্য তৈরি কোনো বিকল্প নেই। আরো যে সকল সমস্যা আছে সেগুলো দূর করতে পারলে পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ডাবল ডিজিটে বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ