প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আদমদীঘিতে অগ্নিকান্ডে স্বামী নিহত স্ত্রী দগ্ধ , ছেলে আটক

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে শয়ন ঘরে রহস্যজনক ভাবে অগ্নিকান্ডে আব্দুল হামিদ (৫৫) নামের এক ব্যক্তি অগ্নিদগ্ধে নিহত ও তার স্ত্রী হাফছা বেগম (৪২) মারাতœক দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধ হাফছা বেগমকে মূমূর্ষ অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল মন্ডল ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আদমদীঘি উপজেলার কুশাবাড়ি প্রামানিক পাড়ায়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ওয়াহেদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে বলে জানাগেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলার আগাপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ আদমদীঘির কুশাবাড়ি গ্রামের হাফছা বেগমকে বিয়ে করে। প্রায় ১২ বছর যাবত আব্দুল হামিদ স্বশুড় বাড়িতে ঘর জামাই হিসাবে বসবাস করতে থাকে। সম্প্রতি আব্দুল হামিদের ছেলে ওয়াহেদুল পাশ্ববর্তি গজারিয়ায় গ্রামে বিয়ে করার পর তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় তালাকের ঘটনা ঘটে। তালাক দেয়া স্ত্রীকে পুনরায় নেয়ার জন্য ছেলে ওয়াহেদুল তার পিতা আব্দুল হামিদকে চাপ দিচ্ছিল এতে পিতা রাজি না থাকায় পিতাপুত্রের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
অপর একটি সুত্রে জানাযায়, ওয়াহেদুলের খালুর পাওনা ৫০ হাজার টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের মধ্যে চলে নানা হুমকি ধামকি। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের খাবার পর আব্দুল হামিদ ও তার স্ত্রী হাফছা বেগম একই ঘরে ও তার ছেলে ওয়াহেদুল পাশ্বের ঘরে শুয়ে পড়ে। রাত দেড়টা দিকে জনৈক ব্যক্তি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে আব্দুল হামিদের শয়ন ঘরে অগ্নিকান্ড দেখতে পেয়ে প্রতিবেশিরা ওই ঘরের বাহির থেকে দেয়া দরজার শিকল খুলে ঘরে প্রবেশ করে আব্দুল হামিদকে আগুনে পুড়ে নিহত ও তার স্ত্রী হাফছা বেগমকে দগ্ধ ও অর্ধ মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। রাতেই দগ্ধ হাফছা বেগমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরদিন শুক্রবার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেন। সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত