প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমার যা করেছে তা জেনোসাইড

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : মিয়ানমার প্রথম থেকেই আমাদের নানাভাবে উস্কানি দিচ্ছিল। কিন্তু আমরা সে ফাঁদে পা দেইনি। এথনিক ক্লিনজিংয়ের কারণে কারও বিচার করা যায়না। তবে জেনোসাইডের বিচার হয়। মিয়ানমার যা করেছে তা জেনোসাইড। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যারা করেছিল তদের বিচার হয়েছে। বসনিয়া, কসোভো ও রুয়ান্ডায় যারা করেছিল তদের বিচার হয়েছে। মিয়ানমার যা করেছে তারও বিচার হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে সশস্ত্র বাহিনী সংক্রান্ত পরিচিতিমুলক সভায় বক্তাদের আলোচনায় এন তথ্য উঠে এসেছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্মড ফোর্স ডিভিশনের (গোয়েন্দা পরিদপ্তর) মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনিরুল ইসলাম আকন্দ। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর ড. আবুল মনসুর, বিশিষ্ট সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান, মঞ্জুরুল ইসলাম বুলবুল।

সভায় সেনা বাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর চেইন অব কমান্ড, বিভিন্ন সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ইউনিট, ঘাটি ও কর্মকান্ড সম্পর্কে ধারনা প্রদান করা হয়। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা, দেশ গঠন ও সামগ্রীক উন্নয়নে বাহিনীর ভুমিকা ও শান্তিরক্ষা মিশনে বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে নানা তথ্য তুলে ধরা হয়। এসব তথ্য তুলে ধরেন সেনা বাহিনীর গোয়েন্দা পরিদপ্তরের লে. কর্ণেল আবু রুবেল মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, নৌ বাহিনীর কামান্ডার একরামুল হোসেন ও বিম,ান বাহিনীর উইং কমান্ডার তানভীর রহমান। এছাড়া সেনানিবাস এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ প্রবেশ ও চলচালেরর ক্ষেত্রে বেশকিছু নির্দেশনা ও তথ্য তুলে ধরেন লে. কর্ণেল আইনুল মোরশেদ খান।

সভায় সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের নানা বিড়ম্বনার কথা উঠে আসে অলোচনায়। তবে সহজ ও মিডিয়া বান্ধব প্রচারনার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে নানা উদ্যেগের পরামর্শ দেন বক্তারা। পাশাপাশি আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পরিধি বাড়ানো এবং সেনানিবাসের বাইরে এর কার্যালয় স্থাপনের পরামর্শ দেন বক্তারা।

আইএসপিআর এর পরিচালক লে. কর্ণেল রাশিদুল হাসান বলেন, আইএসফিআর এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ সংক্রান্তে একটি প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। শুধু ঢাকা নয় এর বাইরেও কয়েকটি কার্যালয় তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সশস্ত্র বাহিনীর সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপকার হবে বলে মনে করেন তিনি।