প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পেস্তার পর ইরানে দ্বিতীয় খাদ্য রফতানিতে আইসক্রিম

রাশিদ রিয়াজ : ২৭ হাজার ১০৬ টন আইসক্রিম রফতানি করে ইরান ১১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে গত ৬ মাসে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬.৪৫ ভাগ। এর মধ্যে ৯১ মিলিয়ন ডলারের আইসক্রিম রফতানি করেছে দেশটি ইরাক সহ ১০টি দেশে। বাকি দেশগুলো হচ্ছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, কাজাখাস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জার্মানি, কাতার ও জর্জিয়া।

গড়ে ইরানের আইসক্রিম প্রতিটনের রফতানি মূল্য হচ্ছে ৪ হাজার ২৩৬ ডলার। ইরান অন্য যেসব খাদ্য রফতানি করে তার চেয়ে এই আইসক্রিমের মূল্য ১২ গুণ বেশি। ইরান ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিজ সোসাইটির সেক্রেটারি রেজা বাকেরি বলেন, আইসক্রিম রফতানি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ বাড়ছে। ২০১৪-১৫ সালে ইরান ৮৬ মিলিয়ন ডলারের আইসক্রিম রফতানি করেছিল। এরপর এ রফতানি বৃদ্ধি ৭ ভাগ হারে হয়ে ৯২ মিলিয়নে দাঁড়ায়। গত বছর ১২০ মিলিয়ন ডলারের আইসক্রিম রফতানি করেছিল দেশটি।

রেজা বাকেরি জানান, বছরে সাড়ে তিন লাখ টন আইসক্রিম ছাড়াও পুরোনো ধাঁচের ঐতিহ্যে আরো ৩ হাজার টন আইসক্রিম উৎপাদন হয় ইরানে। আইসক্রিম তৈরির কাঁচামাল কোকো,চিনি, কনসেনট্রেট, আইসক্রিম স্টিক, ফ্লেভার ও স্ট্যাবিলাইজার আমদানি করতে হয়। এসব উপকরণ ইরানে তৈরির বিষয়টিতেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে এবং দেশটিতে তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারে আইসক্রিম বিক্রি হয় ৭৩.৬৩ মিলিয়ন ডলার। উৎপাদিত আইসক্রিমের ১০ থেকে ১২ ভাগ রফতানি হয়। তেহরান, পূর্ব আজারবাইজান, ফারস, মাজানদারান ও ইস্ফাহানে দেশটির আইসক্রিম শিল্পগুলো অবস্থিত। মিহান, ডোমিনো, পান্ডা, দাইতি, কালেহ ইরানের জনপ্রিয় আইসক্রিমের ব্যান্ড। দেশটির নাগরিকরা বছরে মাথাপিছু ৪ লিটার আইসক্রিম খেয়ে থাকে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম খায় নিউ জিলান্ডের নাগরিকরা ( ২৮.৪ লিটার) ও এরপর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা খেয়ে থাকে ১৮ লিটার। তবে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম উৎপাদন করে থাকে। আর আইসক্রিম রফতানির শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম ও ইতালি। ২০২১ সালে বিশ্বে আইসক্রিম রফতানি দাঁড়াবে ৮৭ বিলিয়ন ডলার। এ রফতানি বাড়ছে ৪.৮ ভাগ হারে।

ফর্বস ডট কম বলছে, ম্যাগনাম হচ্ছে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত আইসক্রিম। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২.৫৪ বিলিয়ন ডলারের আইসক্রিম বিক্রি করে। দ্বিতীয় স্থানে থেকে হ্যাজেন-দাজ বিক্রি করে সাড়ে ৪’শ মিলিয়ন ডলারের আইসক্রিম। হালে আইসক্রিম তৈরি রকমফেরে অর্ডিনারি বা শক্ত, নরম, চিনিবিহীন, ল্যাক্টোজ ফ্রি, গ্লুটেন ফ্রি ও অর্গানিক ধরনের হয়ে থাকে। ফিনান্সিয়াল ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ