প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অল্পের জন্য প্রানে বেঁচে গেলেন যুবলীগ নেতা

জাহিদুল কবীর মিল্টন,যশোর প্রতিনিধি : যশোর জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুদ্দিন মিঠু অল্পের জন্য প্রানে রক্ষা পেলেন। শহর থেকে পুলিশ লাইন টালি খোলা এলাকার বাড়ির সামনে জীপ থেকে নামার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তিনি এযাত্রা প্রানে বেঁচে যান।

মোবাইলে মইনুদ্দিন মিঠু জানান, সোমবার বেলা দেটটার সময় শহর থেকে তিনি জীপ গাড়িতে করে তার টালিখোলা বাড়ির প্রায় ৫০ গজ দূরে নামেন। এরপর তিনি হাটতে হাটতে বাড়ি যাচ্ছিলেন। এসময় দুইটি পালসার মোটর সাইকেলে ৬ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

তিনি  দৌড়ে পাশের একটি মসজিদে আশ্রয় নিয়ে প্রানে রক্ষা পান।  এরপর এলাকাবাসি এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা মিঠুর বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে উত্তর দিকে বেরিয়ে যায়।

কারা কি কারণে গুলি করেছে জানতে চাইলে মিঠু জানান, একই দলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আর বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত। আমাকে হত্যার দায়িত্ব নিয়েছে তিনজন। এদের মধ্যে একজন জনপ্রতিনিধি,একজন যুবলীগ নেতা ও অপরজন সদ্য সাবেক জেলা ছাত্রলীগের একজন শীর্ষ নেতা রয়েছে।

এব্যাপারে মিঠু কোতয়ালি থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজমল হুদার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন মিঠুকে গুলি করেছে এমন কোন প্রমান আমরা পাইনি। গুলির খোশা বা আশপাশের ওয়ালে লেগেছে গুলির এমন কোন চিহ্ন আমরা পাইনি। এলাকাবাসিও গুলির বিষয়ে কিছু বলতে পারে না।

উল্লেখ্য ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা রাতে শহরের বেজপাড়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মনোযার হোসেন ইমন।

৩১ অক্টোবর মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশ হয় “বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার অস্থির হয়ে উঠেছে যশোর শহর একের পর এক ঘটছে খুনের ঘটনা”। জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুকে গুলি করার মধ্য দিয়ে আরো একবার প্রমানিত হলো যশোরের আইন শৃংখলার চরম অবন্নতি হয়েছে। কোন ঘটনা ঘটলে পুলিশ দায় এড়িয়ে যাচ্ছে। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। ফলে পুরো যশোর শহর এখন সন্ত্রাসীরা নিয়ন্ত্রন করছে বলে ভুক্ত ভোগীদের দাবি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত