প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমারকে শাস্তি নয়, কূটনৈতিক সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিদেক : মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে চলমান রোহিঙ্গা সংকট কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের দিকেই নজর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকা সফরে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি টমাস শ্যানন বলেছেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের কূটনৈতিক সমাধানেই জোর দিচ্ছে তার দেশ।

রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ষষ্ঠ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বমূলক সংলাপ শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শ্যানন এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে গত ২৫ আগস্ট থেকে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আগে থেকেই আরো চার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছে।

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর সৃষ্টি করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার মধ্যে মিয়ানমার ১৯৯২ সালের প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থাপনায় রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘকে যুক্ত করাসহ কয়েকটি প্রস্তাব রাখা হয়।

বাংলাদেশের প্রস্তাবের কোনো জবাব না দিয়েই গত ৩১ অক্টোবর রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে দেরির জন্য উল্টো বাংলাদেশকে দোষারোপ করেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চির দপ্তরের মহা পরিচালক জ তাই।

তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে গত শুক্রবার বাংলাদেশে আসা যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদলের নেতা সিমন হেনশ বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করার দায়িত্ব মিয়ানমার সরকারের।

গত বছর গণতন্ত্রে ফেরার পর মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেওয়া কিছু অবরোধ ফের আরোপের চিন্তাভাবনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য গত সপ্তাহে মার্কিন সিনেটে একটি প্রস্তাবও তোলা হয়।

প্রস্তাবটি পাস হলে রোহিঙ্গাদের উপর নৃশংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের উপর সুনির্দিষ্ট অবরোধ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হবে এবং দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ সামরিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ