শিরোনাম
◈ প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডার: ক্রেনের চালক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ◈ গার্ডার চাপায় নিহতদের ময়নাতদন্ত হবে সোহরাওয়ার্দীর মর্গে ◈ উত্তরায় দুর্ঘটনা: শিশু জাকারিয়া জীবিত ছিল আধাঘণ্টা ◈ পুলিশের উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে: এমপি শম্ভু ◈ রাজধানীতে ক্রেন থেকে রড পড়ে ৫ পথচারী আহত ◈ চকবাজার ও উত্তরার ঘটনায় শোক জানিয়ে তদন্তের দাবি ফখরুলের ◈ মানবাধিকারকর্মীদের কথা শুনলেন জাতিসংঘের মিশেল ব্যাচেলেট ◈ উত্তরায় ক্রেন দুর্ঘটনা: বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি ◈ খায়রুনকে লাথি মেরে সেই রাতে বাইরে যান স্বামী ◈ উত্তরায় প্রাইভেট কারের উপর ফ্লাইওভারের গার্ডার, নিহত ৫ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৫৪ রাত
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৩০০ আসনে ইভিএমে ভোট চায় আওয়ামী লীগ

ইভিএম

এমএম লিংকন: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের তিনশ’ আসনে ইভিএমে ভোটের দাবি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেইসঙ্গে দলটি নির্বাচনের সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আবশ্যকীয় সব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ন্যস্ত করার প্রস্তাব করেছে।

রোববার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে দলটির পক্ষ থেকে ১৫ দফা লিখিত প্রস্তাব করা হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রোববার বিকালে ইসির সঙ্গে বৈঠক করে।

সংলাপে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা মনে-প্রাণে ইভিএমে বিশ্বাস করি। চেতনায় ধারণ করি। কোনও বিশেষ এলাকা নয়। দেশের তিনশ আসনে ইভিএমে ভোট হোক, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ দাবি জানাচ্ছি।

দলটি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রেও দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলেছে, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী, কোনোভাবেই কোনও দল বা প্রার্থীর প্রতি অনুগত বা কোনোভাবে সম্পর্কযুক্ত হিসেবে পরিচিত বা চিহ্নিত ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না।

এদেশে ভোট ডাকাতি, ভোট জালিয়াতি এবং প্রহসনের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় ভিকটিম আওয়ামী লীগ উল্লেখ করে দলটি তার প্রস্তাবে জানায়— আমরা মনে করি, প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোট ডাকাতি ও ভোট কারচুপি বন্ধ করতে ইভিএমের কোনও বিকল্প নেই। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, ভোট কারচুপি এ সব বন্ধ করে একটি টেকসই স্বচ্ছ নির্বাচন পদ্ধতি বাস্তবায়ন ইভিএম ব্যবস্থায় সম্ভব। তারা দেশে ইভিএম পদ্ধতিটি জনগণের কাছে অধিকতর জনপ্রিয় এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে প্রচার-প্রচারণার উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব করেছে।

বর্তমান ইসির হাতে থাকা এক লাখ ৫০ হাজারের বেশি ইভিএম মেশিন দিয়ে ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩ হাজার কেন্দ্রে শতকরা মাত্র ৩১ শতাংশ কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট নেওয়া সম্ভব। এ বিষয়টি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ বলেছে, আগামী নির্বাচনে ইভিএম মেশিনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করতে হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমীর হোসেন আমু বলেন,সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাব সবাই কিন্তু নির্বাচনে থাকবে। যখন যাকে প্রয়োজন হয় তখন তাকে কাজে লাগানো হয়। কমিশন স্বাধীনভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতাও করবে। আমি বলতে পারি যারা আপনাদের সঙ্গে সংলাপে এসেছে, তারা যে পথেই হোক না কেন নির্বাচনে কিন্তু যাবে। যদিও কিছু কিছু কারণে তারা কিছু ব্যতিক্রম কথা বলেছে।

শিল্পমন্ত্রী আমু বলেন, যারা যারা নির্বাচনে আসতে চাইছে না সেটা কিন্তু তাদের চিরতরের অভ্যাস। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তাদের (বিএনপি) আহ্বানে জাতিসংঘ বাংলাদেশে এসেছিল। জাতিসংঘ তাদের সঙ্গে এবং আমাদের সঙ্গে আলাদা আলাদা বসেছিল। এরপর আমাদের দুই দলকে নিয়ে বসেছিল। কিন্তু তারা কোনো যুক্তিখণ্ডাতে পারেনি। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

 

  • সর্বশেষ