শিরোনাম
◈ প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডার: ক্রেনের চালক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ◈ গার্ডার চাপায় নিহতদের ময়নাতদন্ত হবে সোহরাওয়ার্দীর মর্গে ◈ উত্তরায় দুর্ঘটনা: শিশু জাকারিয়া জীবিত ছিল আধাঘণ্টা ◈ পুলিশের উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে: এমপি শম্ভু ◈ রাজধানীতে ক্রেন থেকে রড পড়ে ৫ পথচারী আহত ◈ চকবাজার ও উত্তরার ঘটনায় শোক জানিয়ে তদন্তের দাবি ফখরুলের ◈ মানবাধিকারকর্মীদের কথা শুনলেন জাতিসংঘের মিশেল ব্যাচেলেট ◈ উত্তরায় ক্রেন দুর্ঘটনা: বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি ◈ খায়রুনকে লাথি মেরে সেই রাতে বাইরে যান স্বামী ◈ উত্তরায় প্রাইভেট কারের উপর ফ্লাইওভারের গার্ডার, নিহত ৫ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৪০ রাত
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আপনারা সরকারে, দায়িত্ব বেশি; আওয়ামী লীগকে ইসি

ইসি

এমএম লিংকন: আওয়ামী লীগ সরকারে থাকায় তাদের দায়িত্ব বেশি থাকার বিষয়টি ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন একজন নির্বাচন কমিশনার। আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।

আওয়ামী লীগের নেতাদের তিনি বলেন, যেহেতু আপনারা সরকারে আছেন, সেহেতু আপনাদেরই কিন্তু বড় দায়িত্ব এই নির্বাচনটা যাতে আরও সুন্দর হয়, গ্রহণযোগ্য হয়, এই অবস্থাটা তৈরি করে দেয়া।

তিনি আরো বলেন, আমি শুধু আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে আহ্বান জানাতে চাই, আমরা আমাদের দায়িত্ব শতভাগ পালন করব সততার সঙ্গে। আপনারাও আমাদের আন্তরিক সহযোগিতা দেবেন যারা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকবেন। আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি সবাই সম্মিলিতভাবে এ কাজগুলো করতে থাকি, নিশ্চয়ই আমরা কামিয়াবি হব। আমরা অবশ্যই কমিশনের ভাবমূর্তি আবার সস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারব।

আগামী জাতীয় নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে এই সংলাপ শুরু করছে নির্বাচন কমিশন। ভোটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি না, এ নিয়ে এর আগের সংলাপের মতো এই সংলাপও বর্জন করেছে বিএনপি।

কেবল সংলাপ বর্জন নয়, নির্বাচন কমিশনকেই মেনে নিতে পারছে না দলটি। তারা নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের পুরোনো দাবিতে ফিরে গেছে। ২০১৪ সালে আন্দোলন করে নির্বাচন ঠেকাতে না পারলেও আবার আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের কথাও বলছে।

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, আমরা যখন থেকে দায়িত্ব নিয়েছি, ঠিক তখন থেকে আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পারছি এবং শুনতে পাচ্ছি নির্বাচন কমিশনে কোনো রকম কাজের পরিবেশ নেই। কোনো রকম কাজ করার সুযোগ নেই। তারা নিরপক্ষতা হারিয়ে ফেলেছে। এটাতে মনে হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি একেবারে নেই এবং ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ভোটাররাও ভোট দিতে আগ্রহী না, তারা কেন্দ্রে আসতে চায় না। তারা নির্বাচনে কোনো আনন্দ বা আগ্রহই পাচ্ছে না।

  • সর্বশেষ