শিরোনাম
◈ বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক পেলেন লায়লা হোসেন ও ইতো নাওকি ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরো সক্রিয় হতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ লজ্জা থাকলে বিএনপি লোডশেডিং নিয়ে বলতো না: ওবায়দুল কাদের ◈ ৫ দিন পর সাংবাদিক রুবেলের মরদেহ উদ্ধার ◈ চাপের মুখে দলের প্রধান হিসেবে বরিস জনসনের পদত্যাগের ঘোষণা ◈ সেপ্টেম্বরের আগে বিদ্যুৎ সংকট কাটছে না, সকলকে সাশ্রয়ী হতে হবে ◈ ২৭টি গরু নিয়ে ডুবল ট্রলার, ৬ গরুর মৃত্যু ◈ যৌক্তিক কারণ দেখালে মোটরসাইকেলে বাধা দেবে না পুলিশ ◈ পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ আগস্ট ◈ ১৭ বছর পর এই প্রথম ঈদে ছবি মুক্তি পাচ্ছে না শাকিব খানের

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২২, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ২৩ মে, ২০২২, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন দর্শক যোগ হচ্ছে চলচ্চিত্রে

ইমরুল শাহেদ: এ কথা বলেছেন লায়ন সিনেমা হলের কর্ণধার মীর্জা আবদুল খালেক। তিনি প্রযোজক পরিবেশক সমিতির এফডিসি কার্যালয়ে কথা প্রসঙ্গে জানান, পুরনো লায়ন সিনেমা হলকে তিনি মার্কেট করে দিয়েছেন। নতুন করে নির্মাণ করেছেন চারটি সিনেমা হল। প্রতিটি হলে দর্শক ধারণ করে দুশো করে। এর মানে চারটি সিনেমা হলে এক শোতে ৮০০ দর্শক সিনেমা দেখতে পারেন। কিন্তু আগের লায়ন সিনেমা হলের ক্যাপাসিটি ছিল প্রায় ৯৩৭। অর্থাৎ এক শোতে উল্লিখিত সংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখতে পারতেন।

মির্জা আবদুল খালেক বলেন, তারপরও তার একটা ভুল হয়ে গেছে। নতুন সিনেমা হলগুলোর আসন সংখ্যা আরো কমানো উচিত ছিল। তাতে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করা যেত। তিনি উল্লেখ করেন সিনেমা হলে এখন নতুন দর্শকও আসছে। ‘গলুই’ ছবি দেখার জন্য তার হলে ১৫ সদস্যের দুটি পরিবার এসেছিল একদিন। তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা তাকে বলেছেন, জীবনে এই প্রথম তারা সিনেমা হলে ছবি দেখতে এসেছেন।

তার সিনেমা হলে এখন প্রদর্শিত হচ্ছে, ‘গলুই’, ‘শান’, ‘বিদ্রোহী’ এবং ‘পাপ-পূণ্য’। এসব ছবির কোনো কোনোটি দেখে দর্শক হতাশও হচ্ছেন। মির্জা আবদুল খালেক বলেন, সিনেমা হলে শুধু দর্শক আসলেই তো হবে না। তাদেরকে সিনেমা হলে ধরে রাখার মতো সিনেমাও লাগবে। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের মান যেভাবে পড়ে গিয়েছিল তাকে পুনরুদ্ধার করতে হলে বুঝেশুনে সিনেমা বানাতে হবে। মহামারির মধ্যেই দক্ষিণ ভারতে সিনেমার যে উত্থান শুরু হয়েছে তার সামনে এক সময়ের দাপুটে ইন্ডাষ্ট্রি বলিউডও  ম্লান হয়ে যেতে শুরু করেছে। বলিউডের অনেক শিল্পীই এখন দক্ষিণের ছবিতে কাজ করছেন। দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্রের বৈশিষ্ট্য হলো তারা প্রতি মুহূর্তে চলচ্চিত্র নিয়ে ভাবছেন এবং নতুন নতুন বিষয় ও প্রযুক্তি নিয়ে দর্শকের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন। চলচ্চিত্রশিল্পকে বাঁচাতে হলে ঢাকার নির্মাতাদেরও ভাবতে হবে। এখন  প্রয়োজন দর্শক পছন্দের ছবি।  

  • সর্বশেষ