শিরোনাম
◈ সরকার দূর্নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করেছে: মির্জা ফখরুল ◈ ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনা, ইহুদি এজেন্সি বন্ধ করে দিচ্ছে রাশিয়া ◈ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ব্যক্তিগত, ভারতকে অনুরোধ করেনি আওয়ামী লীগ ◈ মিডিয়াকে সহনশীল হওয়ার অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ টি-টোয়েন্টি একাদশ নির্বাচন করবে সাকিব ◈ ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর, পুলিশ মোতায়েন ◈ বিশ্বের ১০০ শীর্ষ বন্দরের তালিকায় ৬৪তম চট্টগ্রাম বন্দর ◈ চলন্ত লঞ্চে সন্তান প্রসব, আজীবন যাতায়াত ‘ফ্রি’ ◈ মৌলভীবাজারে টিলা ধসে ৪ নারী চা শ্রমিক নিহত ◈ ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে স্বাধীনতায় তাদের বিশ্বাস নাই’

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২২, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২২, ০৫:২৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

বছরে মোবাইল রিচার্জে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় ৩২৪ কোটি টাকা

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন

সুজন কৈরী: মুঠোফোন রিচার্জে রিটেইলাররা গ্রাহকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে রিচার্জের বা লোডের কার্ড বিক্রির সময় অতিরিক্ত এক থেকে দুই টাকা অনৈতিকভাবে আদায় করে যাচ্ছে। এ ধরনের অর্থ গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া নৈতিকতা বিরোধী বলছে গ্রাহক অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। 

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত রিটেলারদের খুচরা না থাকা এবং জোর করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এর প্রতিবাদ করে আসছিলাম। কিন্তু দিনদিন তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আগে এক টাকা নিলেও এখন কোন কোন গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত দুই টাকাও নিচ্ছে। 

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে এই মুহূর্তে মোবাইল রিচার্জের জন্য রিটেলার রয়েছে প্রায় ৯ লাখ। গড়ে একজন রিটেলার দৈনিক প্রায় দুই থেকে তিন হাজার টাকা বিভিন্ন প্যাকেজ ও আই টপের মাধ্যমে খুচরা পর্যায়ে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন গ্রাহকের মাধ্যমে রিচার্জ করে থাকে। প্রতিবার রিচার্জের সময় একজন গ্রাহকের কাছ থেকে এক থেকে দুই টাকা বেশি নেওয়া হয়। প্রতিবার রিচার্জের সময় যদি এক টাকা করে আদায় করা হয় তাহলে দৈনিক সবগুলো রিটেলার ন্যূনতম নয় লাখ টাকা অনৈতিক আদায় করে থাকে। যা মাসে গিয়ে দাড়ায় ২৭ কোটি, বছরে ৩২৪ কোটি টাকা প্রায়। 

মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের ঢাকাসহ সারাদেশে কর্মীদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায়, ২০০ রিটেলার ও ২০০ গ্রাহকের কাছে জানতে চাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায় রিটেলারদের দাবি কোম্পানি থেকে কম কমিশন পাওয়া, বর্তমানে বেশিরভাগ গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রিচার্জ করা, কোম্পানির অ্যাপসের মাধ্যমে রিচার্জ করার কারণে আগের চাইতে ব্যবসা এখন অনেক কম হয়।

তাছাড়া ভাংতি না থাকাও অন্যতম অজুহাত। গ্রাহকদের বক্তব্য হচ্ছে ভাংতি টাকা না থাকা এবং জোর করে রিটেইলারদের আদায় করার জন্য অনেকদিন ধরে বহু ঝগড়া বিবাদ হয়েছে এখন আর করি না। আর কোম্পানিগুলি এমন প্যাকেজ দেয় সবগুলি বিজোড় সংখ্যা আর এই সুযোগটা নিচ্ছে রিটেলাররা।

এ ব্যাপারে আমাদের সংগঠনের বক্তব্য হচ্ছে, এ ধরনের অর্থ আদায় একটি আইন বিরোধী এবং অনৈতিক লেনদেন। এর বিরুদ্ধে কেবলমাত্র টেলিযোগাযোগ  নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি, ও টেলিকম অপারেটররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। বিটিআরসি গঠন করা হয়েছে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য। কিন্তু তারা গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রেখেছে। কেবলমাত্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার কারণে গ্রাহকরা সব দিক দিয়ে প্রতারিত হচ্ছে।

গ্রামীণফোন এসএমপির শর্ত অনুসারে, ২০ টাকার নিচে রিচার্জ না করা শর্ত দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকরা সমস্যায় পতিত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে রিটেলাররা এই ২০ টাকা রিচার্জ করার জন্য অতিরিক্ত দুই টাকা চাইতে পারে। তাই জনস্বার্থে এবং রাষ্ট্রের বিশাল অংকের অর্থ অপচয় এবং অনৈতিক লেনদেন বন্ধে সরকার এবং কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

  • সর্বশেষ