শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২২, ০৪:২৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২২, ০৪:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২৫ সালের পর বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্টে ভবিষ্যত দেখছেন না পিটারসেন 

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলোর ক্রিকেট ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কেভিন পিটারসেন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়কের মতে, ক্রিকেটারদের বেশি অর্থ প্রদান না করলে এসব দেশ থেকে টেস্ট ক্রিকেটের সংস্কৃতি উঠে যেতে পারে। ক্রিকফ্রেঞ্জি

নিজের অনুমানের একটি সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন পিটারসেন। তার মতে, ২০২৫ সালের মধ্যেই ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত সংস্করণে দেখা যাবে আমুল পরিবর্তন। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো বড় দলগুলো ছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে আপাতত কারোর ভবিষ্যৎই দেখছেন না সাবেক এই স্টাইলিশ ব্যাটার।

তার মতে, অ্যাশেজ, ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান বনাম ভারত বা এই মানের কিছু সিরিজ ছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে আর কিছু নাও দেখা যেতে পারে। বেটওয়ে'তে লেখা কলামে পিটারসেন বুঝিয়েছেন, টেস্ট সিরিজ খেলুড়ে যেকোনো দুটো দল সমানে সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারলে তাদের আর এই অভিজাত সংস্করণে নাও দেখা যেতে পারে।
তিনি লিখেন, আমি আগেও বলেছি, আমার মনে হয় ২০২৫ সালের মধ্যে শুধুমাত্র বড় দলগুলোই টেস্ট খেলবে। বলতে খারাপ লাগছে, তবে যেসব সিরিজে নিউজিল্যান্ড বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা বড় দল বাদে অন্য কোনো দল থাকবে তাদের একপাশে সরে যেতে হবে।

পিটারসেনের মতে, বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের তুমুল জোয়ারে টেস্ট ক্রিকেটারদের উচ্চমানে অর্থ প্রদান না করলে লাল বলের ক্রিকেট সংস্কৃতি এমনিতেই হারিয়ে যাবে অনেকগুলো দেশ থেকে।

তিনি আরও লিখেন, আমি একটি দৃশ্যপট দেখতে পাচ্ছি, যেখানে ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট বলতে শুধু থাকবে আশেজ, ইংল্যান্ড বনাম ভারত, অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত, ভারত বনাম পাকিস্তান এবং অন্যান্য উঁচুমানের সিরিজ; যদি অন্যান্য দল তাদের টেস্ট ক্রিকেটারদের অনেক বেশি অর্থ প্রদান না করে! আমি আগেও লিখেছি, ইসিবি কীভাবে তাদের টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচাতে পারে। তবে সব দল নিশ্চিতভাবেই সেটা পারবে না। সম্পাদনা: মাকসুদ রহমান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়